সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)। রোববার ২৫ অক্টোবর পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, অদ্য ২৫ অক্টোবর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ কাকডাঙ্গা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের টহল দল নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাকডাঙ্গা বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ৪ আরবি থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেড়াগাছি নামক স্থানে অভিযান চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় দুই লাখ আশি হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিনে ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের অপর একটি আভিযানিক দল কলারোয়া থানাধীন বোয়ালিয়া মোড় নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে অবৈধভাবে আমদানিকৃত চার লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করা হয়।
উভয় অভিযানে জব্দকৃত ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল যন্ত্রাংশসহ মোট চোরাচালানি মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য সাত লাখ ত্রিশ হাজার টাকা।
কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসস লে. কর্নেল বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, চোরাকারবারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধপথে ভারত থেকে এসব মালামাল বাংলাদেশে নিয়ে আসছিল। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের অবৈধ চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
দেশের অর্থনীতি রক্ষায় ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিজিবির এই ধরনের কঠোর ও দেশপ্রেমমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির এই সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় সাধারণ জনগণ সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন।
