Published on
:
1 min read
এই সময়: রাজ্যে বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মীদের বেতন, ভাতা সংক্রান্ত তথ্য তলব করল নব গঠিত সপ্তম বেতন কমিশন। রাজ্যের অর্থ সচিবকে চিঠি কমিশন সরকারি কর্মীদের পদ, পরিষেবা, ক্যাডার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে।
পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা–সহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মচারী— যাঁদের বেতন ও ভাতাও রাজ্য সরকার বহন করে, তাঁদের সম্পর্কে তথ্যও দ্রুত দিতে বলা হয়েছে। এই নির্দিষ্ট তথ্য অনলাইনে কমিশনের পোর্টালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা পেশ করতে হবে। কমিশন এই ব্যাপারে পোর্টালের মাধ্যমে নির্ধারিত ফর্ম্যাট তৈরি করে দিয়েছে।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘সপ্তম বেতন কমিশন চিঠি দিয়ে বলেছে, প্রতিটি দপ্তরের কাছে কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। কিন্তু এই তথ্য কত দিনের মধ্যে পাঠাতে হবে, তার উল্লেখ নেই। সময় বেঁধে দেওয়া উচিত ছিল। তা না হলে তো দপ্তরগুলো ইচ্ছাকৃত ভাবে তথ্য পাঠাতে গড়িমসি করবে।’
প্রসঙ্গত, গত জুলাইয়ে রাজ্য সরকার প্রাক্তন আমলা নবীন প্রকাশের নেতৃত্বে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করে। অর্থ দপ্তর থেকে সপ্তম পে কমিশনের জন্য ‘শর্তাবলি ও কার্যপরিধি’ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। তাতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে পাঁচ সদস্যের পরিবারকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে দৈনিক ৩৪৯০ ক্যালোরি পুষ্টির প্রয়োজনীয়তাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব রাখা হয়। প্রচলিত মানদণ্ড ছিল ২৭০০ ক্যালোরি। শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, কমিশনের সুপারিশে সামগ্রিক চাকরির শর্ত, ভাতা, পদোন্নতি, অবসরকালীন সুবিধে এবং কর্মপরিবেশকে নতুন করে সাজানোর রূপরেখাকে গুরুত্ব দিতে বলেছে নবান্ন।