তিন ওভারে দরকার ছিল ৪৬ রান। এক সময় মনে হচ্ছিল নিউ জ়িল্যান্ডের কাছে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হারবে ভারত। সেখান থেকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দলকে জিতিয়েছেন তিলক বর্মা এবং নীতীশ রেড্ডি। তবে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার মনে করেন, তাঁর দলের সকলেই ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখেন। সতীর্থদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।
ম্যাচের পর শ্রেয়স বলেন, “নিঃসন্দেহে আমরা চাপে ছিলাম। আমার মনে হয় দলের সকলে ম্যাচ জেতাতে পারে। আজ সেটা আবার দেখা গেল। সত্যি বলতে, ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারানোর সময় ভেবেছিলাম ম্যাচ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু তিলক এবং রেড্ডি অসাধারণ মানসিকতা দেখিয়ে ম্যাচ বার করে দিল। ভাল খেলেছে নমন ধীরও।”
ভারতীয় দলে অলরাউন্ডারের জায়গা পোক্ত করে নিয়েছেন নমন। বল হাতে যেমন কয়েক ওভার করে দিচ্ছেন, ব্যাট হাতেও গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলছেন। সতীর্থকে নিয়ে শ্রেয়স বলেছেন, “দুটো ম্যাচ আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধেও একই কাজ করে দেখিয়েছিল ও। অসাধারণ বোলারও। ব্যাটিং এবং বোলিং, দুই বিভাগেই দলকে নানা ভাবে সাহায্য করছে। পাশাপাশি ওর ফিল্ডিংয়েরও প্রশংসা করতে হবে। আসলে নমন একজন পুরোদস্তুর ক্রিকেটার।”
ক্রাইস্টচার্চের মন্থর পিচে দাপট দেখিয়েছেন নিউ জ়িল্যান্ডের দুই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল। স্যান্টনার চারটি উইকেটও নিয়েছেন। বিপক্ষের স্পিনারদের সামলে রান তাড়া করার প্রসঙ্গে শ্রেয়স বলেছেন, “শুরুতে অনেক ডট বল খেলেছি আমরা, যার জন্য রান রেট বেড়ে গিয়েছিল। ঠিক যে সময়ে মনে হয়েছিল আক্রমণ শুরু করতে হবে, তখন ওরা দুর্দান্ত বল করেছে। বিশেষ করে স্যান্টনার এবং ব্রেসওয়েল। শট খেলা সহজ ছিল না। ফিল্ডিংয়ের ফাঁক খুঁজে রান নিতে পারলে আরও সহজে জিততে পারতাম। দুর্ভাগ্যবশত সব ম্যাচে সহজ ভাবে জেতা যায় না। যে ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি সেটাই ভাল লেগেছে।”
এ দিন নিউ জ়িল্যান্ড বেশ কিছু খুচরো রান নিয়েছে, যা সামগ্রিক ভাবে তাদের রান বাড়িয়েছে। শ্রেয়স মনে করেন, এ ব্যাপারে তাঁদের আর একটু সতর্ক হতে হবে। তাঁর কথায়, “এই বার্তা আমরা সকল ক্রিকেটারকে দিয়েছি। যখন বল আসবে তখন এমন ভাবে তা আটকানোর জন্য এগিয়ে আসতে হবে যাতে বিপক্ষ দু’রান নেওয়ার আগে দু’বার ভাবে। আশা করি পরের ম্যাচ থেকে আরও ভাল খেলব।”
