ইস্টবেঙ্গল: ২ (ডেভিড ২)
আল শোর্তার: ৩ (আল হাজাজ, হুসেন আলি সায়েদি, ফিডেলস কুকু)
ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে মাত্র ৩ মিনিটের বাজে ফুটবল! এসিএল টু-তে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্নভঙ্গ ইস্টবেঙ্গলের। ঘরের মাঠে ইরাকের শক্তিশালী ক্লাব আল শোর্তার বিরুদ্ধে দু’বার এগিয়ে গিয়েছিল লাল-হলুদ শিবির। আরও অন্তত বার তিন-চারেক গোলের ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ ছিল। কিন্তু শেষমেশ হেরে ৩-২ গোলে হেরে মাঠ ছাড়তে হল লাল-হলুদ শিবিরকে। প্রথমার্ধে ইরাকি প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে ফালাফালা করে দেওয়া, পর পর সুযোগ তৈরি করে বিশ্বকাপার গোলরক্ষককে চাপে ফেলে দেওয়া, এসবই যেন বিফলে চলে গেল।
একজন বা দু’জন নয়, ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ৭ বিদেশি নিয়ে এসেছিল্ ইরাকের ক্লাবটি। দলে ছিলেন বিশ্বকাপার গোলরক্ষকও। সেই দলের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গল কোচ অ্যান্তনীয় লোপেজ হাবাস যখন এডমুন্ড-ডেভিডদের মতো দেশি ফুটবলারদের দিয়ে আক্রমণ সাজালেন, তখন অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। কিন্তু হাবাসের ভরসা ছিল ডেভিডের উপর। যাকে আইএফএ শিল্ড ফাইনালে না খেলানো নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছিল লাল-হলুদ কোচের। সেদিন হয়তো আজকের ম্যাচের জন্য তরুণ স্ট্রাইকারকে তরতাজা রাখতে চেয়েছিলেন স্প্যানিশ কোচ। আর সেই তরতাজা ডেভিড যে কতটা বিপজ্জনক হতে পারেন সেটা আল শোর্তার রক্ষণভাগের ফুটবলাররা প্রথমার্ধের শুরুর দিকে হাড়ে হাড়ে টের পেলেন।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
