ছবি: সংগৃহীত
-->একজনের লড়াইয়ে আর কত দূর! ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশের ইনিংস যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছিল, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে গেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। তার ৭০ রানের দৃঢ়তায়ও বড় বিপর্যয় এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রশিদ খানের ঘূর্ণি আর আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। জবাবে ৩৫.৩ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। পায় ৭ উইকেটের বড় জয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়ে টাইগাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা দ্রুতই ফিকে হয়ে যায়। তানজিদ হাসান ১, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ ও অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয় শূন্য রানে ফিরে গেলে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
এক প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মধ্যে দলের হাল ধরেন পারভেজ হোসেন ইমন। ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে ৯৬ বলে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ৭০ রান করেন এই ওপেনার। তাকে সঙ্গ দিয়ে সাইফ হাসান করেন ৮২ বলে ৪১ রান। তবে তাদের ব্যাটিংয়ের পরও দলীয় সংগ্রহে গতি আসেনি। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রশিদ খান। ৩১ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন তিনি। আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিন আহমেদজাই শিকার করেন দুটি করে উইকেট।
আরও পড়ুন
১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানও শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৬ এবং সিদ্দিকুল্লাহ অটল ৪ রান করে ফিরলে জয়ের পথে সাময়িক বাধা তৈরি হয়। তবে এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহর জুটি দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।
ইব্রাহিম জাদরান ৪৮ বলে ৩৪ রান করে আউট হলেও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যান রহমত শাহ। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ৯০ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৬৭ রান করেন। অধিনায়ক হাশমাতুল্লাহ শাহিদী অপরাজিত ৩৬ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন।
আরও পড়ুন
দুজনের দৃঢ়তায় ৩৫.৩ ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ দুটি এবং মুস্তাফিজুর রহমান একটি উইকেট নেন।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
