ঘটনার তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। এখন থেকে কেন্দ্রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ ছাড়া ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ সংঘটিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। এতে নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াত কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করবেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
এদিকে, গত ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন সংগঠনের নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।
তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমীরে জামায়াতের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
