সীতাকুণ্ডে যুবদলকর্মী তারেক হোসেন বাপ্পীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি আরিফ হোসেনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকা-ে ব্যবহৃত এলজি, রিভলভার ও পিস্তল উদ্ধার করা হয়। গতকাল রোববার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার রাতে বাড়বকু- ইউনিয়নের অলিনগর তিন রাস্তার মোড়সংলগ্ন সড়কে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। রাতে খাবার শেষে বন্ধু ইমনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার পথে বাপ্পীর গতিরোধ করে অস্ত্রধারীরা। পরে তাকে ও তার বন্ধুকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাপ্পীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়েও তাকে আঘাত করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে তার বন্ধু ইমন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে বাপ্পীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন তাপসির আলম শাওন। কিন্তু তিনিও হামলাকারীদের রোষানলে পড়েন। তাকে লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়া হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে ফেলে রেখে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাপ্পীর সঙ্গে প্রধান আসামি আরিফ হোসেন ও তার সহযোগীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বাপ্পীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑ বাড়বকু-ের মধ্যম মাহমুদাবাদ এলাকার আরিফ হোসেন (২৯), ফখরুল ইসলাম (৩২), আব্দুল মান্নান (২৮), ইফতেখার (৩৫), মুরাদপুর ইউনিয়নের আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫) ও বাড়বকু-ের নুর আহাম্মদ রনি।