মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের মেরু এলাকার একটি অফিসে অভিযান চালিয়ে ২০টিরও বেশি বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। পাসপোর্টগুলো কেন সেখানে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং ক্লাং রয়্যাল সিটি কাউন্সিল (এমবিডিকে) যৌথভাবে বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করে।
প্রাথমিকভাবে এলাকার বেশ কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ও বিদেশি কর্মীদের পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এই অভিযান শুরু হয়। তবে তল্লাশী চলাকালে একটি প্রতিষ্ঠানের পেছনে একটি সন্দেহজনক ঘরের সন্ধান পান কর্মকর্তারা। এরপর তল্লাশি চালিয়ে একটি লকার থেকে পাসপোর্টগুলো উদ্ধার করা হয়।
সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ খুসাইরি কামারুদ্দিন জানান, উদ্ধারকৃত ২০টিরও বেশি বাংলাদেশি পাসপোর্টের তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে সেগুলো বৈধ।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এভাবে পাসপোর্ট জমা রাখা অত্যন্ত সন্দেহজনক। সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ এর পেছনের মূল কারণ অনুসন্ধানে গভীর তদন্ত চালাবে। আমরা প্রতিষ্ঠানটির মালিককে তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যিনি একজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটি দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা এক স্থানীয় মালয়েশীয় যুবককে পাওয়া যায়। তিনি দাবি করেন, ৫০ রিঙ্গিতের বিনিময়ে তাকে সারাদিনের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
ওই প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন, ঘরের আসবাবপত্র বিক্রি এবং বাইসাইকেল মেরামতের কাজ করা হতো। অভিযুক্ত যুবক বলেন, আমাকে শুধু আজকের দিনের জন্যই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ঘরটিতে কী আছে বা এর জন্য কে দায়ী, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আজই আমার এখানে কাজের প্রথম দিন।
