মা লক্ষ্মীর আরাধনা মানেই ঘরে সমৃদ্ধির জোয়ার। কোজাগরী পূর্ণিমায় ঘর আলো করে দেবী আসেন। সেজে ওঠে ভক্তের বসত। মায়ের আসার পথে উঠান থেকে শুরু করে সদর দরজায় আঁকা হয় আলপনা। আর মায়ের এই চরণচিহ্ন আঁকার চল চিরকালের। কিন্তু জানেন কি, এই আলপনা আঁকার মধ্যেও রয়েছে কড়া বাস্তুনিয়ম? একটু ভুল হলেই ঘটে যেতে পারে বিপত্তি। কোথায় আঁকা নিষেধ, আর কোথায় আঁকলে মিলবে সুফল? জেনে নিন।
বাঙালির ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজোর দিন মূল দরজার সামনে আলপনা দিয়ে দেবীর পা আঁকার রেওয়াজ রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, এভাবেই ঘরে প্রবেশ করবেন মা লক্ষ্মী। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র বলছে অন্য কথা। সদর দরজার ঠিক সামনে লক্ষ্মীর পা আঁকা একেবারেই অনুচিত। এতে দেবী ঘরের দিকে আসার বদলে উলটে বাইরে চলে যান বলে লোকবিশ্বাস। তাই মূল দরজার চৌকাঠ বা তার বাইরে এই কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
সদর দরজার সামনে কি লক্ষ্মীর পা আঁকা চলে?
বাঙালির ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজোর দিন মূল দরজার সামনে আলপনা দিয়ে দেবীর পা আঁকার রেওয়াজ রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, এভাবেই ঘরে প্রবেশ করবেন মা লক্ষ্মী। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র বলছে অন্য কথা। সদর দরজার ঠিক সামনে লক্ষ্মীর পা আঁকা একেবারেই অনুচিত। এতে দেবী ঘরের দিকে আসার বদলে উলটে বাইরে চলে যান বলে লোকবিশ্বাস। তাই মূল দরজার চৌকাঠ বা তার বাইরে এই কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
সদর দরজা ছাড়াও আরও কিছু স্থান রয়েছে, যেখানে দেবী লক্ষ্মীর চরণচিহ্ন আঁকা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। যেমন—
শৌচাগারের সামনে: বাড়ির বাথরুম বা শৌচাগারের আশেপাশে পবিত্রতার প্রশ্ন থাকে। তাই এর সামনে লক্ষ্মীর পা আঁকলে বাস্তুদোষ ঘটে এবং অমঙ্গল ডেকে আনে।
সিঁড়িতে: সিঁড়িতে প্রতিনিয়ত মানুষের পা পড়ে এবং হাঁটাচলা হয়। তাই পবিত্রতা বজায় রাখতে সিঁড়িতে কখনোই দেবীর পা আঁকা উচিত নয়।

কোথায় আঁকবেন মা লক্ষ্মীর পা?
শাস্ত্র মতে, সঠিক স্থানে দেবীর চরণ আঁকলে ঘরে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে। যেমন—
ঠাকুরঘরের সামনে: পুজোর মূল স্থান অর্থাৎ ঠাকুরঘর বা সিংহাসনের সামনে লক্ষ্মীর পা অবশ্যই আঁকবেন। তবে তার আগে ওই স্থানটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।
অর্থ ও ভাণ্ডার ঘরে: যেখানে টাকা-পয়সা এবং সোনাদানা রাখা হয়, সেই সিন্দুক বা আলমারির সামনে দেবীর চরণচিহ্ন আঁকা অত্যন্ত শুভ।
চাল-ডালের ভাণ্ডারে: অন্নপূর্ণা ও লক্ষ্মীর কৃপা পেতে ঘরের যেখানে চাল, ডাল বা শস্য রাখা হয়, সেই ভাণ্ডার ঘরের সামনেও লক্ষ্মীর পা আঁকা যেতে পারে।
নিয়ম মেনে ভক্তিভরে দেবীর আরাধনা করলেই ঘরে ফিরবে স্বস্তি ও সমৃদ্ধি। সামান্য ভুলের মাশুল যাতে না গুনতে হয়, তাই আজই নজর দিন এই ছোট্ট বাস্তুটিপসগুলিতে।
