Published : 11 Oct 2026, 09:04 PM
Updated : 11 Oct 2026, 09:04 PM
ফরিদপুরের নগরকান্দায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত আবেদনকারীরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।
রোববার সকালে নগরকান্দা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বঞ্চিতদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহীন মুন্সী।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নিজস্ব গুদাম ও অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও যোগ্য আবেদনকারীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার ও কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে অযোগ্যদের ডিলারশিপ দেওয়ার দাবি জানান তারা।
কাইচাইল, ডাঙ্গী, লস্করদিয়া, রামনগর ও ফুলসুতি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তোলেন আবেদনকারীরা।
তাদের দাবি, সরকারি শর্ত পূরণ করে আবেদন করলেও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। এ কারণে নিয়োগে অনুসরণ করা মানদণ্ড, যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিবেদন এবং প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া প্রকাশের দাবি জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, “এই নিয়োগ কমিটি বা নিয়োগপ্রক্রিয়ার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যারা অভিযোগ করছেন, তারা হয়তো না বুঝে করছেন, অথবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।”
তিনি বলেন, “যতটুকু শুনেছি, যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের ৯৯ শতাংশ বিএনপির লোক। দু-একজনকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, “কৃষি মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আমরা চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন ইউএনও এবং আমি ছিলাম সদস্যসচিব। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা পাঠানো হয়েছে। এখানে আমাদের অনিয়ম করার কোনো সুযোগ নেই।”
নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “উপজেলা কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে পাঠানো প্রস্তাবনা থেকে মন্ত্রণালয় যোগ্যদের নিয়োগ দিয়েছে। লেনদেনের তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
