ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুই দশক জুড়ে ৪ হাজারের বেশি ম্যাচ ও ৫৫০টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলা হয়েছে। কিন্তু শেষ ১০ দিনে এই ফরম্যাটের সবচেয়ে সফল দুটি দল মিলে এক সিরিজে দ্রুততম স্কোরিংয়ের রেকর্ড গড়েছে।
আগামী দুই বছরের মধ্যে পরবর্তী বিশ্বকাপ। এই আসর শুরুর আগে হয়তো চলতি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ ভুলে যাওয়া মুশকিল। দুই দলের ব্যাটাররাই চার-ছক্কার বন্যা বয়ে দিচ্ছেন। ৯১৮ বলে হয়েছে ৯৮ ছক্কা, প্রত্যেক ৯.৩ ডেলিভারিতে একটি করে। পূর্ণ সদস্য দেশকে নিয়ে হওয়া কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে এই হারে ছক্কার মার দেখা যায়নি।
শনিবার এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে আর ২৩টি ছক্কা হলে দুই দল ২০২৩ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার সিরিজে ১২০ ছক্কার রেকর্ড ভেঙে দেবে। চলতি সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫৭টি ছয় মেরেছে, প্রতি ৮.১ বলে একটি করে। সর্বোচ্চ ৮৩৮ রানও তাদের, ভারতের ৮২৩। ভারত ১০.৮ বল প্রতি ৪১টি ছক্কা মেরেছে। ছক্কা মারায় পিছিয়ে থাকলেও ভারত (৮৩) ওয়েস্ট ইন্ডিজের (৬৯) চেয়ে বেশি চার মেরেছে।
লখনউ, রাঁচি, ইন্দোর ও হায়দরাবাদে ছক্কার পর ছক্কা মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত প্রথম দল হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০০০ ছয় হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছে। এই ফরম্যাটে উইন্ডিজ প্রতি ১৪ বলে ছয় মেরেছে, যেখানে ভারত ১৬.১৯ বলে একটি করে মেরে এগিয়ে।
এই বছরের জানুয়ারিতে বিশ্বকাপের পরপরই ভারত ও নিউজিল্যান্ড মিলে পাঁচটি ম্যাচে ১৯৪৮ রান করলে এমন আক্রমণাত্মক খেলার নজির তৈরি হয়েছিল। তখন ১১৬টি ছক্কা হয়েছিল এবং সিরিজের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৬.২৮। ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই রেকর্ডকে আরও এগিয়ে নিয়ে ১৮০.৯৩ স্ট্রাইক রেটে পৌঁছেছে, যা অন্তত চারটি ম্যাচ খেলা টি-টোয়েন্টি সিরিজের মধ্যে বর্তমান রানের সমষ্টিকে দ্রুততম সিরিজে পরিণত করেছে।
এফএইচএম
