দেবীপক্ষে রাজ্যজুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন চলছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য মন্ত্রী-নেতারা পুজোর উদ্বোধন করছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারাও দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে বাংলায় আসছেন। তৃতীয়ায় দুর্গাপুরে পুজোর উদ্বোধন করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল। এরপরেই তিনি বলেন, বিজেপির রাজ্যে মা দুর্গাও আলাদা মুক্তি অনুভব করছে।”
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদল হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে। তৃণমূল আমলে বাংলায় দুর্গাপুজো করাতেও বাধা দেওয়া হত বলে বিজেপির তরফে বারবার প্রচার করা হত। ভোটের প্রচারেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা এই অভিযোগ করেছিলেন। এবার বিজেপিশাসিত বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো। দেবীপক্ষ থেকেই পুজোর উদ্বোধন চলছে বাংলাজুড়ে।
দুর্গাপুরের ক্লাব স্যান্টোসে গতকাল, মঙ্গলবার দুর্গাপুজোর উদ্বোধন হয়। ওই পুজোর উদ্বোধন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল। উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল-সহ অন্যান্য নেতারা। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুনীল বলেন, “বাংলার মানুষও এই পরিবর্তন অনুভব করছেন। আমি নই, পুরো বাংলাই একটা আলাদা ধরনের মুক্তি অনুভব করছে।” এরপরেই তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে তাঁর কটাক্ষ, “বাংলায় মা দুর্গাও সেই মুক্তি অনুভব করছেন।” তাঁর কথায়, “১৫ বছরে যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে দুর্গাপুজোকে রোধ করার চেষ্টা করেছিল। বিজেপি সরকার আসার পর আজ পশ্চিমবঙ্গের কোটি কোটি মানুষ স্বচ্ছন্দে উৎসাহের সঙ্গে দুর্গাপুজো উদযাপন করছেন। সেটা শুধু আমি নই, পুরো বাঙালিই অনুভব করছে।”
প্রসঙ্গত, বিজেপি সরকার আসার পরে বাংলায় দুর্গাপুজোর সংখ্যা বেড়েছে ১২,৪০০। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বার্তা দিয়েছেন। মহালয়ার রাতে ইডেন গার্ডেন্স-এ দেবীপক্ষের সূচনায় জমকালো অনুষ্ঠানও হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।
