বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আসামীরা বাদির বাগানের গাছকাটাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে হামলা ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। ওয়ার্ড বিএনপি’র নেতার হামলায় মা ও ছেলে মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। আহতরা বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় সরেজমিন পরিদর্শন শেষে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের ধরে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ বাগানের মালিক মোল্লা শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার সময় একই এলাকার ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আনছার হাজরা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ও তার পরিবারের লোকজন নিয়ে দা, লোহার রড, লাঠি সহ বিভিন্ন দেশীয় অন্ত্রেশস্ত্রে বেআইনি জনতাবদ্ধে আমার বসত ঘরের ভিতর অনাধিকার প্রবেশ করে একপর্যায় বাদির স্ত্রী ও ছেলের মাথায় ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেন। ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ৬ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন আসামিদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় ও একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আসামীরা হলেন, একই গ্রামের আনছার হাজরা (৬০), রমজান হাজরা (৩০), ইমরান হাজরা (২৭), তারিক হাজরা (৩৫), উভয় পিতা আনছার হাজরা, আনছার হাজরার স্ত্রী লতিফা বেগম (৫৫), ও ঝুম্পা বেগম (২৫), স্বামী: রমজান হাজরা ।
ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার দিন আমি বাড়িতে না থাকায় একা পেয়ে আমার স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও পুত্র ইয়াসিন মোল্লাকে ধাড়ালো দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়া আমার বড়ভাবি দোলেনা বেগম এর গলায় থাকা ০৪ (চার) আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন মূল্য অনুমানিক মূল্য ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। ৩নং আসামী তারিক হাজরা আমার বড়ভাবি দোলেনা বেগম এর পরনের কাপড় চোপড় টেনে থেচড়ে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এঘটনায় বাদী প্রশাসনের কাছে দোষীদের আইনের আওয়াতায় এনে শাস্তির দাবী জানায়।
