প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ঘিরে স্বল্প সময়ের মধ্যে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হয়েছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে (আরএমপি)। গোয়েন্দা নজরদারি, বিশেষায়িত ইউনিটের তৎপরতা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।
গত মঙ্গলবার রাজশাহী সফরে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিদর্শন ছিল তাঁর সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সফরের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিভিন্ন আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ায় আরএমপি। নিরাপত্তা সমন্বয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।
আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নির্দেশনায় পুলিশের একাধিক দল সমন্বিতভাবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। আরএমপির বিশেষায়িত ইউনিট সিআরটিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কাজ করে। তাঁর পরিদর্শনস্থলগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি চলাচলের পথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রেখে নজরদারি জোরদার করা হয়।
সফর ঘিরে নগরীর সড়কে যানজট এড়াতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তৎপর ছিল আরএমপির ট্রাফিক বিভাগ। নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
অল্প সময়ের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জানতে চাইলে আরএমপির মিডিয়া মুখপাত্র গাজীউর রহমান বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রীকে তিন স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তাব্যবস্থা দিয়েছি। আমাদের প্রত্যেক পুলিশ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দিতে আমরা আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছি।”
প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক সফর ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার মতো একাধিক দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে হয়েছে আরএমপিকে।
বিআলো/শিলি