দিল্লির যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের দায়ে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। অজিনক্য শিন্ডের পাশাপাশি এই দু’জনের বিরুদ্ধে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন এবং সরকারি আধিকারিকের কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবার এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ দিল্লির মন্দির মার্গের এক ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে এই তিন নেতাকে হাজির করা হয়।
সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ‘এক্স’-এ এক পোস্টে জানিয়েছেন, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে দিপকে সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ তুলেছেন।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা আবারো ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) এর ১৬৩ ধারা লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। বারবার একই ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার কারণে, তারা তাদের দেওয়া মুচলেখার (বন্ড) শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই লঙ্ঘনের বিষয়টি আমলে নিয়ে আদালত উভয়কেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
এর আগে, ৫০ হাজার রুপির বন্ড জমা দেওয়া এবং এক বছরের মধ্যে শান্তিভঙ্গ সংক্রান্ত কোনো ঘটনায় জড়িত না থাকার মুচলেকা দেওয়ার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এবার তাদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ ও বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাঁদের ‘পুনরাবৃত্ত অপরাধী’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশি ব্যারিকেড অতিক্রম করে যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার পর শিন্ডে, দাস ও রাঙ্কাকে আটক করা হয়।
এদিকে, সিজেপির আইনি দলের প্রধান রত্না সিং ‘এক্স’-এ এক পোস্টে জানিয়েছেন, অজিনক্যকে ব্যক্তিগত মুচলেকার বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
