মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নিজের নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে অধ্যাপক ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, “আমি যখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলাম, তখন পিরোজপুরের ফেসবুক পুরো গরম হয়ে গেছে, ফেসবুক পুরা আগুন, পত্রপত্রিকায় জ্বলছে। বিভিন্ন মানুষ এখান থেকে ঢাকা, ঢাকা থেকে রাজশাহী—কিছু লোকের মধ্যে খালি জ্বালা-যন্ত্রণা।”
এরপর সমালোচকদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “অনেকে বলে ছবিরুল ইসলাম ভিসি হইল কেমনে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর দেবে হাসিনার জামাই ডক্টর ওয়াজেদ মিয়াকে কবর থেকে আইনা ভিসি বানায় দিবে, তাহলে এটা সায়েন্স হয়ে যাবে নাহ্।”
নিজের নিয়োগের পেছনে আল্লাহর ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তাঁকে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আল্লাহর ইচ্ছায় এবং তারেক রহমানের মাধ্যমে। ছোটবেলা থেকেই কোরআন ও রাসুলের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধ্যমতো সেই অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করেছেন। পৃথিবীর কোনো মানুষকে খুশি করার জন্য কাজ করেননি, ভবিষ্যতেও করবেন না।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা তোমাদের নিয়ত সহি করো, আল্লাহ দুনিয়াতে ইজ্জত এবং সম্মান দিবে।”উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদারকে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর নিয়োগের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সেই বিতর্কের মধ্যেই নিজের বক্তব্যে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া ও ব্যক্তিগত বিশ্বাসের কথা তুলে ধরলেন তিনি।
The post হাসিনার জামাই ওয়াজেদ মিয়াকে কবর থেকে এনে ভিসি বানালে বিজ্ঞান হবে? appeared first on ভোরের চেতনা.
