ব্রুকের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
ক্রিকেটার হ্যারি ব্রুক। ছবি: সংগৃহীত
-->ওয়ানডে ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিশতক, সঙ্গে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড। হ্যারি ব্রুকের ব্যাটে রাওয়ালপিন্ডিতে রচিত হলো নতুন ইতিহাস। শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে ১১৬ বলে ২০২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ১১৪ বলে দুইশ ছুঁয়ে ভারতের শুবমান গিলের রেকর্ড ভাঙেন ব্রুক।
গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১৭ বলে দ্বিশতক করেছিলেন গিল। ২১ চার ও ১০ ছক্কায় সাজানো ব্রুকের ইনিংসে বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ১৪৪ রান। ইংল্যান্ডের হয়ে আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল বেন স্টোকসের ১৮২। বাউন্ডারি থেকে রানের আগের রেকর্ডটিও ছিল জস বাটলারের; ১২৪।
শুরুটা অবশ্য ছিল ধীরগতির। প্রথম ২৪ বলে ব্রুকের রান ছিল মাত্র ১৩। পরে ৪২ বলে পঞ্চাশ, ৭৫ বলে শতক এবং ৯৭ বলে দেড়শ পূর্ণ করেন তিনি। সেঞ্চুরি থেকে দ্বিশতকে পৌঁছাতে খেলেন মাত্র ৩৯ বল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই গত জানুয়ারিতে করা নিজের সর্বোচ্চ ১৩৬ রানও ছাড়িয়ে যান ২৭ বছর বয়সী এই ব্যাটার। অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে আগের সর্বোচ্চ ১৫৮ রানের রেকর্ড ছিল অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের।
উইল জ্যাকসের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ব্রুক গড়েন ৭৯ বলে ১৮৫ রানের জুটি। ৩০ বলে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন জ্যাকস। ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ৪ উইকেটে ৪২৯ রানে, যা তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বোচ্চ। এর আগে লঙ্কানদের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ছিল ২০১৮ সালে কলম্বোয় ৩৫৭ রান।
শ্রীলঙ্কার হয়ে দুনিথ ওয়েলালাগে ৫৬ রানে নেন দুটি উইকেট। তবে রান বিলিয়েছেন অন্য বোলাররা। ইশান মালিঙ্গা ১০ ওভারে দেন ৯১, দিলশান মাদুশাঙ্কা ৮৯ এবং দাসুন শানাকা মাত্র ৬ ওভারেই খরচ করেন ৭৪ রান।
চঞ্চল/নাঈম
আরও পড়ুন
অ্যালেনের অনবদ্য শতকে শক্ত অবস্থানে বিসিবি একাদশ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কালাম সিদ্দিকী অ্যালেনের ব্যাটে ঝলমলে শতক। সঙ্গে জিশান আলমের আক্রমণাত্মক ৮৬ রান। দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে বিসিবি একাদশ। এখন পর্যন্ত ৭৬ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান তুলেছে দলটি। ১৬২ বল খেলে ১০১ রানে অপরাজিত আছেন অ্যালেন।
আজ (২২ অক্টোবর) আনভির ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বিসিবি একাদশ। তবে ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি বিসিবি একাদশের। দলীয় ৫ রানের মাথায় ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন। তাকে ফিরিয়ে দেন জেইডেন সিলস।
এরপর দলের হাল ধরেন জিশান আলম ও ইফতেখার হোসেন ইফতি। দুজন মিলে সামাল দেন প্রাথমিক বিপর্যয়। তবে জিশান ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। চার-ছক্কার ঝড়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি।
১০০ বলে ৮৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন জিশান। তার ব্যাট থেকে আসে ১১টি চার ও দুটি ছক্কা। দলীয় ১৪২ রানে জশুয়া বিশপের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও তা পূর্ণ করা হয়নি তার। অন্য প্রান্তে ইফতেখার করেন ১৮ রান। ৬২ বলের ইনিংসটি থামে জোমেল ওয়ারিকানের বলে।
দিনের সেরা পারফরমার কালাম সিদ্দিকী অ্যালিন। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধৈর্যের পরিচয় দেন। উইকেটে থিতু হয়ে ধীরে ধীরে ইনিংস বড় করেন। সুযোগ পেলেই পাঠান বল সীমানার বাইরে।
শেষ পর্যন্ত ১৬২ বলে শতক পূর্ণ করেন অ্যালেন। ১৪১ মিনিট ক্রিজে থেকে সাজান নিজের ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে ১৪টি চার। কোনো ছক্কা ছাড়াই দৃষ্টিনন্দন এই ইনিংস খেলেন তিনি।
অধিনায়ক জাকের আলী অনিকের সঙ্গে গড়েন ৭৪ রানের কার্যকর জুটি। দলের রান বাড়ানোর পাশাপাশি উইকেট আগলে রাখেন দুজনই।
অ্যালেনকে দারুণ সঙ্গ দেন অধিনায়ক জাকের আলী অনিক। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলেন তিনি। ৪৮ বলে ৩০ রান করেন জাকের। তার ইনিংসে ছিল একটি চার ও দুটি ছক্কা। তবে জশুয়া বিশপের বলে থামে তার ইনিংস।
এরপর ক্রিজে আসেন চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। সতর্ক ব্যাটিংয়ে অ্যালেনকে সঙ্গ দিচ্ছেন তিনি। ৭৭ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত আছেন রিজওয়ান। দিন শেষে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভালো অবস্থানে বিসিবি একাদশ।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
স্কালোনির সঙ্গে নতুন চুক্তি করছে আর্জেন্টিনা, মেয়াদ কত দিনের?
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শিরোপা জয়, দলের পুনর্গঠন ও মেসি-পরবর্তী ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনার আস্থার প্রতীক। এবার তার সঙ্গে চুক্তি নবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। সবকিছু ঠিক থাকলে নতুন চুক্তিতে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার দায়িত্বে থাকার সুযোগ পেতে পারেন এই সফল কোচ।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। দুই পক্ষই সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী। আগামী নভেম্বরের ফিফা উইন্ডোতেই চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
ওই আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনার দুটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। বুয়েনস এইরেসের লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ে এবং কর্ডোবায় কোস্টারিকার মুখোমুখি হওয়ার কথা দলটির।
সম্প্রতি বেনিনের বিপক্ষে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের পর স্কালোনি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে কোচের দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চান। তখন অবশ্য চুক্তি নিয়ে নতুন কোনো তথ্য দেননি তিনি।
প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে আরও দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পেতে পারেন স্কালোনি। পাশাপাশি থাকবে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর বিকল্প।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ কোপা আমেরিকার পর এই বিকল্প কার্যকর হতে পারে। সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ডাগআউটে দেখা যেতে পারে তাকে।
এটি বাস্তবায়িত হলে টানা তিনটি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন স্কালোনি। ২০৩০ বিশ্বকাপের একটি উদ্বোধনী ম্যাচ আর্জেন্টিনায় আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক মুহূর্তে দলের দায়িত্বে থাকার সুযোগ তৈরি হতে পারে তার সামনে।
সমঝোতা চূড়ান্ত হলে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার দায়িত্বে থাকার পথ খুলে যাবে স্কালোনির জন্য।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
পিএসজির বিতর্কিত ব্যানার নিয়ে উয়েফার কাছে বার্সেলোনার অভিযোগ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মাঠের লড়াইয়ের আগেই গ্যালারিতে উত্তেজনা। প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) সমর্থকদের প্রদর্শিত বিতর্কিত ব্যানার নিয়ে এবার ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার দ্বারস্থ হয়েছে বার্সেলোনা। ম্যাচের আগে উন্মোচিত ওই ব্যানারে বার্সেলোনার প্রতীকচিহ্নে চেইনসো দিয়ে আঘাত করার দৃশ্য তুলে ধরা হয়। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্যারিসের পার্ক দে প্রিন্সেস স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে ব্যানারটি প্রদর্শন করেন পিএসজি সমর্থকেরা। এতে পিএসজির জার্সি পরা ও মুখোশধারী এক ব্যক্তিকে বার্সেলোনার প্রতীকচিহ্নে চেইনসো দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়। ১৯৭৪ সালের হলিউড সিনেমা ‘দ্য টেক্সাস চেইন স মেসাকার’-এর অনুকরণে তৈরি ব্যানারটিতে লেখা ছিল, ‘প্যারিস স্টাইল ম্যাসাকার’।
শুধু ব্যানার নয়, ম্যাচ চলাকালে সমর্থকদের গাওয়া কিছু আপত্তিকর স্লোগান নিয়েও উয়েফার ম্যাচ ডেলিগেটদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বার্সেলোনা। ফরাসি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যানারটি আগে থেকেই পিএসজির অনুমোদন পেয়েছিল। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি ফরাসি ক্লাবটি।
উয়েফার শৃঙ্খলাবিধির ১৬(২)(ঙ) ধারা অনুযায়ী, খেলার মাঠে অনুপযুক্ত বা উসকানিমূলক বার্তা প্রচারে অঙ্গভঙ্গি, শব্দ, বস্তু কিংবা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এ ধরনের প্রথম অপরাধের ক্ষেত্রে সাধারণত ১০ হাজার ইউরো জরিমানার বিধান রয়েছে।
এখন অভিযোগের পর উয়েফা কী পদক্ষেপ নেয়, সেটিই দেখার বিষয়। সমর্থকদের প্রদর্শিত ব্যানারটি শৃঙ্খলাবিধি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা পর্যালোচনার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
বিদেশের মাটিতে আমাদের ব্যাটিং বিভাগ ধারাবাহিকভাবেই ব্যর্থ: তাওহীদ হৃদয়
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নিজেদের মাঠে দাপট, বিদেশে গেলেই ব্যাটিং বিপর্যয়। বাংলাদেশের সাদা বলের ক্রিকেটে এই চিত্র যেন নিয়মিত হয়ে উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায়ের পর সেই সমস্যার কথাই সামনে আনলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তার মতে, বিদেশের মাটিতে ব্যাটারদের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ মানসিকতার ঘাটতি। কঠিন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্যও বাড়াতে হবে দলকে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে সংগ্রহ করে মাত্র ১৬০ রান। জবাবে মাত্র তিন উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানরা।
দলের এমন পারফরম্যান্সে ব্যাটিং ইউনিটের ব্যর্থতাকেই বড় করে দেখছেন হৃদয়। হৃদয় বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে শেষ দুটি ম্যাচে ব্যাটাররা খুবই খারাপ করেছে এবং এর খেসারত পুরো দলকে দিতে হয়েছে। আমাদের ব্যাটিং বিভাগ যৌথভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা বিদেশের মাটিতে ভালো করতে পারছি না, অথচ ঘরের মাঠে বেশ দাপটের সাথেই একাধিক সিরিজ জিতেছি। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে খেলার সময় আমাদের ব্যাটিং বিভাগের অনেক জায়গায় উন্নতির প্রয়োজন।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় ছিল আরও স্পষ্ট। সপ্তম ওভারের মধ্যেই ২৮ রানে চার উইকেট হারায় দল। শুরুতেই ধাক্কা সামলাতে পারেননি ব্যাটাররা।
এ বিষয়ে হৃদয় বলেন, ‘সমস্যাটা মূলত মানসিকতায়। আমি মনে করি এখানে আমাদের উন্নতির অনেক জায়গা আছে। পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে বিভিন্ন পরিস্থিতির সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের প্রায় সব কটি অ্যাওয়ে ম্যাচই আমরা হেরেছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে সফল হওয়া অত্যন্ত কঠিন।’
তিনি আরও বলেন,‘এমনও কিছু মুহূর্ত আসে-যেমন শুরুতে বা পরপর কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলে ইনিংস সামলে নিয়ে মাটি কামড়ে পড়ে থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে ধস শুরু হলে একসাথেই সবাই ভেঙে পড়ে। কঠিন পরিস্থিতিতে দল সামলে নিতে অন্তত এক বা দুজন খেলোয়াড়কে দায়িত্ব নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।’
পরিসংখ্যানও বাংলাদেশের দুর্বলতা তুলে ধরছে। চলতি বছর বিদেশের মাটিতে পাঁচটি ওয়ানডে খেলে চারটিতে হেরেছে দল। জয় পেয়েছে মাত্র একটিতে। অন্যদিকে ঘরের মাঠে নয় ম্যাচে ছয়টি জয় রয়েছে বাংলাদেশের। ২০২৩ সালের মে মাসে আয়ারল্যান্ডকে হারানোর পর বিদেশের মাটিতে আর ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ।
পাপ্পু/
