রাজধানীর ভাটারায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের অস্থায়ী ছাপড়া ঘর থেকে মো. আলমগীর হোসেন (৫২) নামে এক নিরাপত্তা প্রহরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম ব্লকের ৮/এ সড়কের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ভাটারা থানা-পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ওয়াদুদ জানান, নিহতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তার গলায় আঙুলের চাপ বা টিপে ধরার দাগ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে মারধরের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
নিহতের ভাতিজা আরাফাত ইসলাম বলেন, তার চাচা গত চার-পাঁচ মাস ধরে ওই ভবনের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজ করছিলেন এবং ভবনের টিনশেড ছাপড়া ঘরেই থাকতেন। সেখানে ভবনের এক প্রকৌশলীর সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই তাকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। তিনি জানান, পুলিশ ওই প্রকৌশলীকেও আটক করেছে।
নিহত আলমগীর হোসেন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার শইলকোনা গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিন প্রাং ও জয়েদা খাতুনের ছেলে। তিনি তিন ছেলের জনক ছিলেন।
