রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ও শাসনকেন্দ্রের প্রথাগত প্রোটোকল আর সচিবালয়ের ফাইলপত্র ছাপিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান যখন সরাসরি সাধারণ মানুষের দুয়ারে কড়া নাড়েন, তখন তা কেবল এক রুটিন কার্যক্রম বা পরিদর্শনের গল্প থাকে না, বরং তা রূপ নেয় রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দর্শনে এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক রূপান্তরে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তারেক রহমান প্রতিটি পদক্ষেপে ও সিদ্ধান্তে প্রমাণ করে চলেছেন যে, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন কোনো দূরবর্তী ক্ষমতার রাজপ্রাসাদে বন্দী নয়। তা এ দেশের সাধারণ মানুষের প্রতিটি স্পর্শকাতর সমস্যার সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত। সম্প্রতি রাজধানীর বুকে তাঁর সাড়ে চার ঘণ্টার আকস্মিক ও ঝটিকা পরিদর্শনের ঘটনাটি সেই সত্যেরই এক অনন্য ও দৃষ্টান্তমূলক বহিঃপ্রকাশ। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভবনের আরামদায়ক পরিবেশ ছেড়ে সরাসরি মাঠপর্যায়ে গিয়ে হাসপাতালের নোংরা টয়লেট পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে চিকিৎসকের কক্ষে শৃঙ্খলার অভাব ধরে বরখাস্ত করার মতো সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া, এই সবকিছুই প্রশাসনিক স্থবিরতায় এক তীব্র ঝাঁকুনি দিয়েছে।
শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল থেকে এই আকস্মিক পরিদর্শনের যাত্রা শুরু হয়, যা শেষ হয় দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে। এই চার ঘণ্টা ৩১ মিনিটের সংক্ষিপ্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোট ১৩টি স্পর্শকাতর স্থান ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের স্থানগুলো নির্বাচন করা হয়েছিল নাগরিক সেবার সবচেয়ে জরুরি খাতগুলোকে লক্ষ্য করে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ এবং ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়। এছাড়া আবাসিক ও নাগরিক স্থান হিসেবে তিনি পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার, আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার এবং মিরপুর-১০ নম্বরের হকারমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করেন। এ সফরে তিনি কেবল সরকারি গাড়ি চড়ে পরিদর্শন শেষ করেননি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি কৈফিয়ত চেয়েছেন, অবকাঠামোর ভেতরের অবস্থা নিজ চোখে দেখেছেন এবং আমলাতান্ত্রিক ফাঁকফোকর দূর করে গুণগত পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই পুরো আকস্মিক সফরের মধ্যে শনিবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের ঘটনাটি প্রশাসনিক সচেতনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বার্তা বহন করে। সেখানে তিনি বিভিন্ন বিভাগ, শিশু রোগীদের ওয়ার্ড, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশ এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার সময় একপর্যায়ে নিজেই হাসপাতালের টয়লেটে প্রবেশ করেন। সেখানে চরম অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা পরিবেশ দেখতে পেয়ে তিনি ভীষণ অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তাকে ডেকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ অথচ যৌক্তিক প্রশ্ন করেন, তিনি নিজে এই টয়লেট ব্যবহার করবেন কি না। এই একটিমাত্র বাক্য কেবল একজন কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতাকেই চিহ্নিত করেনি, বরং পুরো দেশের আমলাতান্ত্রিক মানসিকতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। সাধারণ মানুষ ও অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ রাষ্ট্রীয় বাজেটের সুফল নিশ্চিত না করে যে অবহেলা করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর এই সোজা প্রশ্নটি সেই দায়িত্ব পালনের অর্থকে নতুন করে স্মারণ করিয়ে দিয়েছে। একই সময়ে অন্য একটি কক্ষে গিয়ে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামকে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে এবং রুমটি অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশের পরপরই উক্ত চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। শৌচাগারের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং দায়িত্বহীন চিকিৎসককে বরখাস্ত করার ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো কঠোরতা নয়, এটি দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং জনগণের সঙ্গে উপহাসকারী মানসিকতার বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীলতার স্পষ্টতম বার্তা।
তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা। তাঁর সততা, আন্তরিকতা, বিনয়, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রয়াসের মধ্যে যে ইতিবাচক বার্তা দেখতে পাই, তা বাস্তব প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। এই মূল্যায়ন কোনো ব্যক্তির প্রতি অন্ধ আনুগত্যের জায়গা থেকে নয়; বরং তাঁর নেতৃত্বে কার্যকর, জনবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থেকে। একজন নেতার প্রকৃত মূল্যায়ন তাঁর পদমর্যাদা দিয়ে নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পর্ককে তিনি কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছেন, তার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মধ্য দিয়েও প্রধানমন্ত্রীর এই দৃষ্টিভঙ্গির একটি ইতিবাচক দিক প্রকাশ পেয়েছে। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় এবং নিজের সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু সরকারের কোনো বিভাগের দায়িত্ব নয়; এটি ব্যক্তিগত অভ্যাস, সামাজিক সচেতনতা এবং রাষ্ট্রীয় নীতির সম্মিলিত ফল। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে হলে তাঁদের নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
পাইকপাড়া, কলাবাগান ও আজিমপুরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা পরিদর্শন ছিল কর্মসূচির আরেকটি উল্লেখযোগ্য অংশ। বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এই সময়সীমা দায়িত্বশীলতা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলাকা পরিষ্কার করাই যথেষ্ট নয়; পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত রাখা, বর্জ্য অপসারণের নিয়মিত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঠেকানোও জরুরি। সাময়িক অভিযান নয়, ধারাবাহিক ব্যবস্থাপনাই পারে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে।
মিরপুর-১০ নম্বরে হকারমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনও নাগরিক অধিকার ও নগর ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এনেছে। ফুটপাত পথচারীর নিরাপদ চলাচলের জন্য অপরিহার্য। দখলের কারণে মানুষকে মূল সড়কে নেমে হাঁটতে হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে এবং যান চলাচলও ব্যাহত হয়। তবে ফুটপাত দখলমুক্ত করার ক্ষেত্রে হকারদের জীবিকার বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। বহু মানুষ ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে পরিবার চালান। তাই পথচারীর অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বাস্তবসম্মত বিকল্প ব্যবস্থা, স্বচ্ছ নীতিমালা এবং নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। অন্যথায় সাময়িকভাবে ফুটপাত ফাঁকা হলেও আগের পরিস্থিতি ফিরে আসতে পারে।
তারেক রহমানের ইতিবাচক উদ্যোগের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ব্যক্তিগত সদিচ্ছাকে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনে রূপ দেওয়া। একজন প্রধানমন্ত্রী সরেজমিনে গিয়ে সমস্যা শনাক্ত করতে পারেন, নির্দেশ দিতে পারেন এবং জবাবদিহির বার্তা দিতে পারেন; কিন্তু দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম তাঁর পক্ষে সরাসরি তদারকি করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ, সৎ, দায়িত্বশীল ও জনমুখী প্রশাসনিক কাঠামো। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি আবাসিক এলাকা ও নগর ব্যবস্থাপনায় সেবার মান যাচাইয়ের নির্দিষ্ট মানদণ্ড, অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা এবং নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়ন চালু করা গেলে আকস্মিক পরিদর্শনের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
এখানে তাঁর চারপাশে চাটুকার, সুবিধাভোগী ও ব্যক্তিস্বার্থনির্ভর বলয় গড়ে ওঠার সম্ভাবনা সম্পর্কেও সতর্ক থাকা জরুরি। ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা কিছু মানুষ প্রকৃত সমস্যার চেয়ে মনোরম চিত্র তুলে ধরতে বেশি আগ্রহী হতে পারেন। তাঁরা ভুলত্রুটি আড়াল করলে কিংবা গঠনমূলক সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে উপস্থাপন করলে একজন নেতাও বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বের অগ্রযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে হলে তাঁকে এমন ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিতে হবে, যাঁরা প্রয়োজন হলে ভুল ধরিয়ে দেবেন, অনিয়মের তথ্য তুলে ধরবেন এবং ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে তখনই, যখন কোনো হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁর আকস্মিক উপস্থিতির প্রয়োজন হবে না, সরকারি আবাসিক এলাকা পরিষ্কার রাখতে বারবার সময়সীমা দিতে হবে না এবং ফুটপাত উন্মুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে না। দায়িত্বশীলতা যখন ব্যতিক্রম নয়, নিয়মে পরিণত হবে; জবাবদিহি যখন ভয়ের কারণে নয়, পেশাগত নৈতিকতা থেকে আসবে; আর জনসেবা যখন ক্ষমতাসীনদের অনুগ্রহ নয়, নাগরিকের অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে—তখনই সুশাসনের প্রকৃত অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে।
বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে তারেক রহমানের সামনে ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর সততা, আন্তরিকতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান যদি কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে এই উদ্যোগ আরও বড় পরিবর্তনের ভিত্তি হতে পারে। তাঁর প্রতি আস্থার অর্থ প্রতিটি পদক্ষেপকে প্রশ্নাতীত ঘোষণা করা নয়; বরং ইতিবাচক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তার সফল বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করা। সরকারের সাফল্য বিচার করতে হবে নাগরিকের অভিজ্ঞতায়—রোগী কতটা ভালো সেবা পেলেন, শিক্ষার্থী কতটা স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পড়াশোনা করল, আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা কতটা পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পেলেন এবং পথচারী কতটা নিরাপদে চলতে পারলেন, তার ভিত্তিতে।
পরিশেষে বলতে চাই, ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে জনতার দুয়ারে প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রা একটি আশাব্যঞ্জক বার্তা। এখন প্রয়োজন সেই বার্তাকে স্থায়ী কর্মসূচিতে রূপ দেওয়া। নেতৃত্ব পথ দেখাতে পারে, কিন্তু পরিবর্তনকে স্থায়ী করতে হলে পুরো প্রশাসনকে সেই পথে হাঁটতে হবে। সুতরাং তারেক রহমান যদি এই সত্যকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তাহলে তাঁর এই উদ্যোগ বাংলাদেশের সুশাসন, জনকল্যাণ ও নাগরিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পথে একটি অর্থবহ পদক্ষেপ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ইনশাল্লাহ। মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সহায় হোন।
লেখক:সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন।
ই-মেইল: [email protected]
