নবম জাতীয় বেতন স্কেল নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি মন্তব্য করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাইলে এই বেতন কাঠামোর সিদ্ধান্ত আগেই নিতে পারত। কিন্তু তা না করে পরবর্তী সরকারের ওপর এর দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জাতীয় পে স্কেল যদি প্রতিবছর ঘোষণা করা হয়, তাহলে সরকারের ওপর একসঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয় না। বর্তমানে যে চাপ সরকারকে নিতে হচ্ছে, তা এড়ানো সম্ভব হতো যদি আগের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই বেতন কাঠামো কার্যকর করার উদ্যোগ নিত।
তিনি আরও বলেন, “ড. ইউনূস কত চালাক, উনি এটাও আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে গেছেন যে বিএনপি এলে বা যে ক্ষমতায় আসবে, সে করবে।”
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় গত ১৯ সেপ্টেম্বর।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের বর্ধিত মূল বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। অন্যদিকে, নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ।
পরবর্তী ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৭৫ শতাংশ এবং নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা ৭০ শতাংশ পাবেন।
সবশেষে, ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ণ বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
