Published on
:
1 min read
মত্ত অবস্থায় বাড়িতে ঢুকে তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ। সমাজমাধ্যমে সেই ভিডিয়ো (যাচাই করেনি এই সময় অনলাইন) ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসল জেলা প্রশাসন। বুধবার অভিযুক্ত বিজেপির প্রাক্তন শহর সম্পাদক প্রসেনজিৎ মোদককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান জেলার কাটোয়ায়। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে কাটোয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও অভিযুক্ত বিজেপি নেতার দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ মোদক কয়েকজনকে নিয়ে তৃণমূল কর্মী তথা পুরসভার কর্মী অনিন্দ্য ভাস্কর(টুবান)-কে বাড়ি থেকে বার করে বেধরক মারধর করছেন। এমনকী তাঁর পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়ানো হচ্ছে। অভিযোগ, ওই তৃণমূল কর্মীর বৃদ্ধ মা ও তাঁর স্ত্রী বার বার বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তাঁদের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর।
সেই ভাইরাল ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, ওই বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ মোদক দাবি করছেন, তৃণমূল কর্মী একসময়ে তাঁকে গালাগাল দিয়েছিলেন। বিজেপি নেতাকে এও বলতে শোনা যায়, ‘যাঁদের কাছে টাকা নিয়েছিস ফেরত দিবি।’ কারও কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন সেই তৃণমূল কর্মী।
ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই পদক্ষেপ করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী প্রথমে ভয়ে অভিযোগ না জানালেও পরে পুলিশের আশ্বাসে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর পরেই কাটোয়া থানার পুলিশ বিজেপির প্রাক্তন নগর সম্পাদক প্রসেনজিৎ মোদককে গ্রেপ্তার করে।
বিষয়টি নিয়ে বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুমন দেবনাথ জানিয়েছেন, প্রসেনজিৎ আগের পুরসভার ভোটে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে এখন তিনি দলের সদস্য নন। তিনি বলেন, ‘মত্ত অবস্থায় বাড়িতে ঢুকে মারধর এটা দল মেনে নেয় না। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।’
