মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী নিহত
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মাদারীপুরে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের রেকারের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় সেলিম হাওলাদার নামে এক আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সেলিম সদর উপজেলার বাগেরপাড় এলাকার মৃত নাজিম উদ্দীন হাওলাদারের ছেলে। তিনি হোটেল মেট্রো নামে একটি আবাসিক হোটেলের মালিক।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিজ মালিকানাধীন প্রাইভেটকার চালিয়ে ভূরঘাটা থেকে মাদারীপুর শহরে ফিরছিলেন সেলিম। পথিমধ্যে তাঁতিবাড়ি এলাকায় আসলে নিয়ন্ত্রণ হারান তিনি। এ সময় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি উদ্ধার কাজে আসা পুলিশের রেকারের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হন সেলিম। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।
মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান জানান, সকালে সেলিমের মরদেহ সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রফিকুল ইসলাম/নাঈম
আরও পড়ুন
রাঙ্গুনিয়ায় সাপের কামড়ে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার দক্ষিণ পদুয়া পশ্চিম খুরুশিয়া মেম্বার পাড়া এলাকায় সাপের কামড়ে মোহাম্মদ জিহাদ (১৮) নামের এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
জিহাদ পদুয়া পশ্চিম খুরুশিয়া মেম্বার পাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের নাতি। সে চন্দ্রঘোনার মাদরাসায়ে তৈয়বিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়ার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়িতে থাকা অবস্থায় জিহাদকে সাপে কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তরুণ এই শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মুহাম্মদ তৈয়্যবুল/অন্তরা/
আরও পড়ুন
অপ্রতীম হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের পুত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চার্জশিট দাখিল করা হয় বলে শুক্রবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
মোবাইল ছিনিয়ে নিতে বাধা দেওয়ায় অপ্রতীমকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয় বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পনায় জড়িত ছিল সিয়াম।
পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড় সংলগ্ন সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা নির্জন বনে যায় তুহিন। সেখানে অপ্রতীমের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সে বাধা দেয়। এ নিয়ে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তুহিন প্রথমে এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটক করা হয়। তুহিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতীমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার মোবাইল ফোন নিয়ে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
নিহত অপ্রতীম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি এই মামলার বাদী।
ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার কথা জানান। আদালত দ্রুত সময়ের মধ্যে খুনিদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করবে সেই আশা করছি। বয়সের ফাঁরাকে যেন আসামিরা বেরিয়ে যেতে না পারে।’
জহির শান্ত/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
চাঁদপুরে ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জেলের কারাদণ্ড
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুদার নেতৃত্বে জেলা টাস্ক ফোর্সের আওতায় অভিযান পরিচালিত হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- শুক্কুর শেখ (২৫), মফিজ গাজী (৬০), সাব্বির গাজী (১৮), ফরহাদ গাজী (১৯), হাবিব খান (২০), তোফাজ্জল হোসেন (৫৫), সিয়াম পাটওয়ারী (২২), আলমগীর হাওলাদার (২৫), শহিদ গাজী (২৬), মো. আব্বাস (৪০), রিপন মিয়াজী (২০), মো. মাসুদ (৪১), নুর মোহাম্মদ (৩৫), দেলু সরদার (৪৫), মো. শাকিল (১৯), কালু খান (৩০), মো. হাবিব (৩৫), মো. হাবিব খান (৪০), মো. বারেক (২৮) ও মো. রবিউল ইসলাম (১৯)। এ সব জেলেদের বাড়ি সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘অভিযানকালে ২০ জেলে আটক, ৩০ কেজি ইলিশ, ৩৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩ ইঞ্জিন চালিত মাছ ধরার কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।’
আটক ২০ জেলের মধ্যে ১৩ জনকে ১০ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৭ জনকে ১৫ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
জব্দ ইলিশ এতিমখানা ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ এবং নৌকা কোস্টগার্ডের হেফাজতে রাখা হয়। জব্দ জাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
ফয়েজ আহমেদ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
চকরিয়ায় বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সবজিবাহী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া সবুজ পাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার আবুল কালামের ছেলে আবদুল্লাহ (২৭) এবং চকরিয়া উপজেলার রামপুরা এলাকার মো. দুলালের ছেলে মো. ইয়াছিন (৩০)। তারা দুজনই পিকআপ ভ্যানটিতে ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, পিকআপ ভ্যানটি চকরিয়া থেকে টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সবজি নিয়ে যাচ্ছিল। পথে চকরিয়া থেকে কক্সবাজারগামী পিকআপটির সঙ্গে চট্টগ্রামগামী শ্যামলী এন আর পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনায় আবদুল্লাহ ও ইয়াছিন গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম মিয়া জানান, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। বাসটি দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চালানো হচ্ছিল। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও পিকআপ ভ্যান থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তারেকুর রহমান/অলি/
