কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মাদকাসক্ত ভাতিজার শাবলের আঘাতে সোনা বানু (৪৫) নামে তার আপন চাচি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো তিনজন মারাত্মক আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার বারবান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোনা বানু ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী।
মাদকাসক্ত ওই ভাতিজার নাম ফারুক হোসেন (৪০)। ঘটনার পর এলাকাবাসী তাকে আটক করে বেঁধে রাখেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে রৌমারী থানায় নিয়ে আসে। আহতরা হলেন— মমিনা খাতুন (৩০), জোসনা খাতুন (২৬) এবং খলিলুর রহমান (৪৭)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুবাইফেরত ফারুক হোসেন গত কয়েক দিন ধরেই উল্টাপাল্টা আচরণ করছিলেন। কখনো তিনি মায়ের কাছে মাদক কেনার টাকা চাচ্ছিলেন, আবার কখনো চাচার নিকট জমির দলিল চেয়ে ঝগড়া করছিলেন। এরই মধ্যে শুক্রবার সকাল থেকেই তার আচরণ অস্বাভাবিক দেখে পরিবারের সবাই তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ঘর থেকে লোহার শাবল এনে তিনি সবাইকে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। তার শাবলের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়ে চাচি সোনা বানু ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
রৌমারী সদরের ইউপি সদস্য ফিরোজ আহমেদ বলেন, মাদকাসক্ত ফারুক তার ছেলে টিটু ও মা জামিরন বেগমকে ঘরে আটকে রাখেন। তাদের উদ্ধার করতে গিয়েই এ খুনোখুনির ঘটনা ঘটে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী জানান, অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে মামলায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এমই
