পুজোর দিনে ঘুরতে যাওয়ার তাড়াহুড়োয় কী ভাবে নিজের চুলগুলোকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলবেন, সেটা নিয়ে ভেবেছেন কি?
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২১:৪৭
০১ / ১৫
পুজোতে কোন দিন কী জামা কাপড় পরবেন, সঙ্গে কেমন গয়না পরবেন বা সাজ কেমন হবে— এ সব নিয়ে পরিকল্পনা করতে করতেই কেটে যায় পুজোর আগের কয়েকটা দিন।
০২ / ১৫
তবে পুজোর দিনে ঘুরতে যাওয়ার তাড়াহুড়োয় কী ভাবে নিজের চুলগুলোকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলবেন, সেটা নিয়ে ভেবেছেন কি?
০৩ / ১৫
জামাকাপড়-গয়নাগাঁটির সঙ্গে মানানসই চুলের স্টাইল একটা অন্য মাত্রা এনে দেয় সাজে। কম সময়ে কী ভাবে নিজের চুলকেও সুন্দর করে সাজিয়ে তুলবেন, এই বেলা জেনে নিন ভাল করে।
০৪ / ১৫
শাড়ির সঙ্গে সাজে সাবেক ছোঁয়া আনতে খুব সহজেই বেঁধে ফেলতে পারেন হাত খোঁপা। আর এই সাধারণ খোঁপাকে অসাধারণ করে তুলতে চুলে লাগিয়ে নিন পছন্দসই ফুলের মালা।
০৫ / ১৫
হাতে যদি একটু সময় থাকে, আর চুল যদি হয় লম্বা, তবে বেণী করে নিতে পারেন। বেণীর গোড়ায় ফুল বা সুন্দর ক্লিপ লাগিয়ে নিলে বেশ মানাবে।
০৬ / ১৫
কুর্তির সঙ্গে বেশ ভাল লাগবে 'হাফ আপ, হাফ ডাউন' স্টাইল। মাথার দু’পাশের চুল নিয়ে পিছনে একটা ছোট ক্লিপ দিয়ে বেঁধে দিন। বাকি চুল খোলা থাকুক।
০৭ / ১৫
পশ্চিমি পোশাকের সঙ্গে ভাল লাগবে 'স্লিক লো পনিটেল'। মাথার মাঝখানে সিঁথি করে পুরো চুলটা ঘাড়ের কাছে রাবার ব্যান্ড বা ক্লিপ দিয়ে বেঁধে নিন।
০৮ / ১৫
এ ছাড়াও পশ্চিমি সাজে বেশ ভাল লাগে 'টুইস্টেড হাফ আপ'। মাথার দু’পাশ থেকে অল্প চুল নিয়ে পেঁচিয়ে পিছনে ‘ক্লিপ’ দিয়ে আটকে দিন। আর বাকি চুল খুলে রাখুন।
০৯ / ১৫
সাইট পার্টেড' খোলা চুল, শাড়ি বা লম্বা ধাঁচের কোনও পোশাকের সঙ্গে মানানসই। যদি চুল খোলা রাখতে চান, তবে এ ভাবে কাঁধের এক দিক করে চুল রাখতে পারেন।
১০ / ১৫
'হাই পনিটেল' করতে পারেন জিন্স-টপ বা ড্রেসের সঙ্গে। ভাল দেখাবে।
১১ / ১৫
পছন্দ মতো পোশাক এবং মেকআপের সঙ্গে একটা ভাল চুলের সাজ। ব্যস! চোখ টানবে আপনার পুজোর 'লুক'।
১২ / ১৫
চুলের জট ভাল করে ছাড়িয়ে তবে চুল বাঁধবেন। এতে চুল দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকবে।
১৩ / ১৫
চুল দীর্ঘক্ষণ একই ভাবে রাখার জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে 'হেয়ার স্প্রে' ব্যবহার করবেন না। এতে পরবর্তীতে চুলের ক্ষতি হবে।
১৪ / ১৫
যতই ভাল করে চুল বেঁধে বাইরে বেরোন, সারাদিন ঘোরাঘুরি এবং অত ভিড়ের মাঝে চুল নষ্ট হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। তাই ব্যাগে সব সময়ে চিরুণি, কিছু রাবার ব্যান্ড আর ক্লিপ রাখুন।
১৫ / ১৫
বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস থাকলে সহজ কোনও চুলের সাজ বেছে নিন। নষ্ট হয়ে গেলেও সহজেই আবার ঠিক করা নিতে পারবেন। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
পরবর্তী গ্যালারি
মেকআপ ছাড়াই ঠিকরে পড়বে জেল্লা! পুজোর মুখেই রইল সুন্দর ত্বকের সহজ টোটকা
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৫৭
০১ / ১৫
১. আপনি কি চান পুজোর সময় আপনার ত্বক উজ্জ্বল লাগবে অথচ আপনি মেকআপ করবেন না? ভিড়ের মাঝে আপনিই হবেন অনন্যা? পুজোর ঠিক আগের মুহূর্তে নিজেকে সেরা দেখাতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি।
০২ / ১৫
২. দিনে অন্তত দুই বার পরিষ্কার জলে মুখ ধুতে হবে। ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে শোয়ার আগে অবশ্যই মুখ ধুয়ে নেবেন। মুখ ধুয়ে নেওয়ার ফলে ত্বকের উপর জমে থাকা ধুলো, ঘাম ও অতিরিক্ত তেল দূর হবে।
০৩ / ১৫
৩. ত্বক তৈলাক্ত হলেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেননা। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী হালকা, সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও সতেজ দেখাবে। এর ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
০৪ / ১৫
৪. পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরোনোর আগে এসপিএফ তিরিশ বা তার বেশি সানস্ক্রিন লাগান। বাইরে থাকলে প্রায় দু’ঘণ্টা অন্তর এবং যদি ঘেমে যান তাহলে মুখ ধুয়ে প্রয়োজন মতো আবার সানস্ক্রিন লাগান। এর ফলে রোদের অতিবেগুনি রশ্মি আপনার ত্বককে ছুঁতে পারবে না।
০৫ / ১৫
৫. পুজোয় ঘোরাঘুরি ও ভিড়ের মধ্যে শরীরে জলের ঘাটতি হতে পারে। পুজোর দিনে ঘোরাঘুরি করলেও নিয়মিত জল পান করতে হবে। শরীর হাইড্রেটেড থাকলে ত্বকও সতেজ দেখাবে।
০৬ / ১৫
৬. পেঁপে, পেয়ারা, কমলালেবু, গাজর, শাকসবজি ও অন্যান্য রঙিন ফল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এ গুলিতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
০৭ / ১৫
৭. রাত জেগে ঠাকুর দেখা বা আড্ডা দেওয়ার পরও যতটা সম্ভব ততটা ঘুমের প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম চোখেমুখের ক্লান্ত ভাব কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
০৮ / ১৫
৮. বরফের ঠান্ডা ভাপ ত্বকের জন্য খুবই ভাল। চোখের চারপাশে ফোলাভাব থাকলে পরিষ্কার কাপড়ে বরফে পুরে তা আলতো করে মুখে ঘষুন। সরাসরি বরফ ত্বকে ঘষবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
০৯ / ১৫
৯. ত্বককে উজ্জ্বল দেখানোর জন্য অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন।তবে সব ধরনের ত্বকে অ্যালোভেরা জেল কিন্তু খাপ খায় না। এ ক্ষেত্রে হাতের ছোট্ট অংশে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে দেখুন কোনও বিক্রিয়া হচ্ছে কি না। না হলে ব্যবহার করতে পারেন।
১০ / ১৫
১০. যখনই মুখ ধোবেন তখনই ধোয়ার পর হালকা এবং নরম কোনও কাপড় দিয়ে মুখ মুছবেন। শক্ত বা খসখসে কোন কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে ভুল করেও মুখ মুছবেন না।
১১ / ১৫
১১. ত্বকের উপযোগী ময়েশ্চারাইজিং ফেস মাস্ক ব্যবহার করলে সাময়িকভাবে ত্বক নরম ও আর্দ্র দেখাতে পারে। পুজোর ঠিক আগে নতুন পণ্য ব্যবহার না করাই ভাল। বিশেষত সংবেদনশীল ত্বক হলে কখনই নতুন কিছু হঠাৎ করে ব্যবহার করা উচিত না।
১২ / ১৫
১২. ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার সময় আঙুলের ডগা দিয়ে আলতোভাবে ছড়িয়ে দিন। জোরে টানাটানি বা ঘষাঘষি করবেন না। এতে ত্বকের উপরিভাগে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সুবিধা হয়।
১৩ / ১৫
১৩. ডাল, ডিম, মাছ, দই, বাদামের মত খাবার নিজের খাদ্যতালিকায় রাখুন। ত্বকের স্বাভাবিক গঠন ও শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এগুলি সাহায্য করে।
১৪ / ১৫
১৪. ত্বক উজ্জ্বল করার জন্যে লেবুর রস, বেকিং সোডা বা শক্ত স্ক্রাব মুখে লাগাবেন না। এগুলি ত্বকে জ্বালা ও দাগের সমস্যা বাড়াতে পারে। পরিচিত, সহনীয় ত্বক-পরিচর্যার রুটিনই বজায় রাখুন পুজোর সময়, নতুন কিছু প্রয়োগ করার দরকার নেই।
১৫ / ১৫
১৫. পুজোর সময় স্বাভাবিক নিয়মেই আপনার ত্বক উজ্জ্বল হবে যদি মেনে চলেন এই কয়েকটি নিয়ম। এই প্রতিবেদনটি "আনন্দ উৎসব" ফিচারের একটি অংশ।
