খবর বিজ্ঞপ্তি।।
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী উপলক্ষে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাগমারা বাগমারা গোবিন্দ মন্দির, শিতলাবাড়ি মন্দির, দোলখোলা দত্তবাড়ি মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় শফিকুল আলম তুহিন বলেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার। ধর্ম-বর্ণ ও দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী, যেখানে প্রত্যেক মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন এবং ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্য, ভয়ভীতি কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার হবেন না।
তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। এ উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবারÑএই চেতনাকে ধারণ করে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা, প্রত্যেক নাগরিকের জানমালের সুরক্ষা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো অপশক্তি যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে কিংবা ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করে মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা, মানবিকতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার মধ্য দিয়েই একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কে এম হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ মজিবর রহমান, আব্দুল আজিজ সুমন, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মাসুদুল হক হারুন, মনিরুজ্জামান মনির, বায়েজিদ হোসেন, মেশকাত আলী, জি এম আইয়ুব আলী, এ বি এম জাকির হোসেন, ডা. আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জামির হোসেন দিপু, শেখ সরোয়ার, আবুল কালাম আজাদ লাভলু, শামসুল ইসলাম লিচু, মনসুর আলী, হাবিবুর রহমান, বুলবুল শেখ, বেল্লাল হোসেন, চৌধুরী হাসিবুর রহমান, আরিফুর রহমান আরিফ, সাইদুর রহমান সাঈদ, রমজান খলিফা, আফজাল হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলীম, আব্দুর রহমান রিপন, মো. নাসির আহমেদ, মনিরুজ্জামান মনি, মো. রিয়াল হোসেন, শরীফুল আলম, ফরিদ হোসেন, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, মো. অলিউয়ার রহমান, রেজাউল ইসলাম রাজা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেলোয়ার হোসেন বেপারী, ইমাম হোসেন খোকন, কামরুল ইসলাম মনি, রবিউল ইসলাম রবি, আমিনুল ইসলাম মিন্টু, ইলিয়াস শেখ, সাগর শেখ, মো. আলমগীর হোসেন রমিজ, বাদল মোড়ল, আবুল হোসেন, রানা শিকদার, এনামুল শেখ, আলমগীর হোসেন, শেখ সরোয়ার হোসেন, মো. শফিউল আলম, পরিমল রায়, সুখ রঞ্জন গোলদার, রাজিব খান, কাকলি খান, ফরিদা বেগম, মিনা বেগম, রোজিনা বেগম, নাসিমা ইসলাম, অসীম কুমার দাস, সুজিত সাহা, সুজয় সাহা, বিজয় সাহা, তপন দাস বাপ্পি ও শেখর চন্দ্রসহ মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন মন্দিরের নেতৃবৃন্দ।
