প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। ২০২৬ সালের এক নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকেরা। এ উপলক্ষে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে চলছে নানা প্রস্তুতি। পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে একাধিক নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন এবং আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য টেকনাফের পরিবর্তে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।
নির্দেশনা অনুযায়ী, দ্বীপটিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেবে দিতে হবে ১০০ টাকা। এ ফি আদায়ের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর পরিবেশ সংরক্ষণবিষয়ক ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে। নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা এবং দ্বীপটির প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
