Authored By:
Published on
:
2 min read
এই সময়: পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী এক দল উদ্যোগপতির সঙ্গে বৈঠক করতে কালীপুজোর পরে মুম্বই যাচ্ছেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। এই উদ্যোগপতিদের কয়েক জনের সঙ্গে রবিবার কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং তাপস। এই অনুষ্ঠানেই উদ্যোগপতিদের তরফে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীকে মুম্বই যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
এই অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাপসকে পাশে নিয়ে শমীক বলেন, ‘নভি মুম্বইয়ের তরুণ শিল্পপতিদের একটি গোষ্ঠী আমাদের শিল্পমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাতে চান। পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। এঁদের অনেকের সঙ্গেই রাজ্যের শিকড়ের যোগ রয়েছে। তাঁরা এই রাজ্যে ফিরতে চান। দু’জন রয়েছেন, যাঁদের এখানে বড় শিল্প রয়েছে। তাঁরা আরও বিনিয়োগকারীদের পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসতে চান। তাঁরা জানতে চান, আমরা অন্য রাজ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় কী ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারব।’
রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে হলে অন্য রাজ্যগুলির সঙ্গে এই বাজার অর্থনীতির যুগে যে লড়াই করতে হবে, তা বিজেপি নেতৃত্বের অজানা নয়। শমীকের কথায়, ‘ব্যবসাও প্রতিযোগিতা। এখানে উদ্যোগীদের আনার জন্য অন্য রাজ্যের সঙ্গে সুস্থ প্রতিযোগিতা প্রয়োজন। ইনসেনটিভ, জমি–নীতি, আইনশৃঙ্খলা, জলের উৎস প্রভৃতি বিষয়ে এ দিন আলোচনা হয়েছে। তাপস রায় এঁদের আমন্ত্রণে কালীপুজোর পরে মুম্বই যাচ্ছেন।’
রাজ্যে রাতারাতি শিল্পায়ন অথবা কর্মসংস্থানের জোয়ার তৈরি সম্ভব নয় বলে বিজেপি নেতৃত্বের পর্যবেক্ষণ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির বদল হচ্ছে বলে শমীক মনে করছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, ‘রাতারাতি অবস্থার বদল হবে না। আমি বলতে পারি না, কালকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সব বেকারকে চাকরি দিতে পারবেন। এখান থেকে যে মেধা চলে যাচ্ছে, তা–ও রাতারাতি বন্ধ করা সম্ভব নয়। একটু সময় দিতে হবে। আমাদের সরকারের ছ’মাসও বয়স হয়নি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে শিল্পপতিদের।’ বড় শিল্পপতিদের পাশাপাশি মিড সাইজ় কর্পোরেটরা পশ্চিমবঙ্গে আসতে চাইছেন বলে শমীকের দাবি। এই মিড সাইজ় কর্পোরেট ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে উজ্জীবিত করবে বলে তিনি আশা করছেন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, ‘আগে শিল্পের বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল আইনশৃঙ্খলার অব্যবস্থা। এ ছাড়া লোয়ার জুডিশিয়ারিকে হুমকির মুখে রাখা হতো। এই সমস্যাগুলো আমরা দূর করতে পেরেছি। তোলাবাজি বন্ধ করতে পেরেছি। যেটুকু বিচ্যুতি শোনা যাচ্ছে, তা–ও দ্রুত দূর করা হচ্ছে।’