পুজোর সময় জমিয়ে পেটপুজো করতে চাই ঘুরে আসতে পারেন লেজেন্ড অ্যান্ড লেগ্যাসি ক্যাফে থেকে। প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক পঙ্কজ কুমার মল্লিক স্মৃতির উদ্দেশে তৈরি হয়েছে এই ক্যাফে। এখানকার বিশেষত্ব কী? এর অন্যতম কর্নধার ঝিনুক গুপ্তর কথায়, “আমি ও রাজীব মানে পঙ্কজ মল্লিকের একমাত্র নাতি। এটা ওঁর বাড়িতেই শুরু করা হয়। এই ভাবনার পিছনে বেশকিছু কারণ আছে। ১০ মে দাদুর জন্মদিন, আমরা সেই উপলক্ষ্যে চলতি বছর ১১ মে থেকে এটা শুরু করেছি। শুধুমাত্র আমরা দাদুর গানকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই বা ওঁর অমর সৃষ্টিগুলোকে মানুষের সামনে আরও বেশি করে তুলে ধরতে চাই বলে নয়, আমরা এখনকার প্রজন্মের স্বার্থেও কালচারাল হাবের ব্যবস্থা করেছি। এই ক্যাফের ইন্টেরিয়রে আমরা পঙ্কজ মল্লিকের ব্যবহৃত অনেক জিনিস রেখেছি। সবকটা দেওয়া ওঁর রকর্ডের কভার রাখা আছে।”
তিনি বলেন, “খাবারের কথায় আসি, এটা একটা মাল্টি কুইজের রেস্তো ক্যাফে। এখানে ফুল মিল যেমন থাকে তেমন স্মল মিল থাকে। কফি, চা সব রয়েছে। পুজোর ক’টা দিনে আমাদের ক্যাফের মেনু এক থাকবে। তবে কিছু হয়তো কাটছাঁট হতে পারে। আসলে পুজোর সময় তো অনেকটা বেশি সময় ধরে খোলা থাকে ক্যাফে তাই। সাধারণ প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে, তবে মা আসছেন বলে সময়টা এবার বাড়তে পারে।”
https://www.youtube.com/watch?v=TTaC77AoBTQ
তাঁর কথায়, “আমাদের স্পেশালিটি হল লুচি ও কষা মাংস, এটা পঙ্কজ মল্লিকের খুব পছন্দের খাবার ছিল। বা যাঁরা নিরামিষ খান তাঁদের জন্য লুচি-আলুরদম, বাসন্তী পোলাওয়ের সঙ্গেও এই কষা মাংস বা আলুরদমের কম্বো চলে। পুজো স্পেশাল কম্বোয় মাত্র ১৩০ টাকায় থাকছে লুচি ও আলুরদম। যাঁরা কন্টিনেন্টাল বা চাইনিজ খেতে চান, তাঁদের জন্যও কম্বো রয়েছে। তাছাড়া আমাদের ভেটকি মাছের ফিসফ্রাই খুব জনপ্রিয়। ব্রাউনি আমাদের এখানেই তৈরি হয়, আর এখানকার বেকড রসগোল্লা শেষপাতে খেতে খুব পছন্দ করেন মানুষ। আগামী দিনে যাতে আমাদের এই প্রচেষ্টা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, সেটাই কামনা করি। আমাদের ঠিকানা ২/৩ সেবক বৈদ্য স্ট্রিট, ম্যাডক্স স্কয়ারের একদম কাছে।”
