৮ দিন ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->বেনাপোল বন্দরে টানা আট দিনের ছুটি শেষে আবারও আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকাল থেকে বন্দরে পণ্য লোড-আনলোডের জন্য তিন হাজার শ্রমিক কাজে যোগদান করেছেন। ফলে বন্দরে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ও সপ্তাহিক ছুটিসহ টানা আট দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রেখেছিলেন ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। তবে এ আট দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দু দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল।
আরও পড়ুন
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, টানা আট দিন বন্ধের পর আজ সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট, বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমিকরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন। লম্বা ছুটির কারণে সীমান্তের দু-পাশে সৃষ্টি হয়েছে যানজট ও পণ্যজট। কয়েক হাজার পণ্য বোঝাই ট্রাক বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও পণ্য খালাস শুরু হওয়ায় কমতে শুরু করেছে যানজট ও পণ্যজট।
ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে দেশের সর্ববৃহৎ এ স্থলবন্দর দিয়ে। এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। এ বন্দর থেকে সরকার প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। টানা আট দিন বন্ধ থাকায় সরকার প্রায় ১৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, আট দিন বন্ধ থাকার পর আজ সকাল থেকে পুনরায় বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা ছুটিতে গিয়েছিলেন সবাই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। যানজট ও পণ্যজট নিরসনে দ্রুত পণ্য খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নজরুল ইসলাম/অলি/
আরও পড়ুন
বাউফলে খাল থেকে হাত বাঁধা অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৬ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->পটুয়াখালীর বাউফলে খাল থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পৌর শহরের আলগী খালের বাংলাবাজার জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। তার সঙ্গে বাঁধা একটি ইটভর্তি বস্তাও পাওয়া গেছে। ওই যুবকের বয়স ৩০ থেকে ৩২ বছর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার পরনে ছিল লুঙ্গি ও খয়েরি রঙের স্যান্ডো গেঞ্জি।
আরও পড়ুন
স্থানীয়রা জানান, উদ্ধার করা মরদেহ গলতে শুরু করেছে। যে কারণে খালে ভেসে যাওয়ার সময় আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি।
স্থানীয়দের ধারণা, অজ্ঞাত ওই যুবক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। যে কারণে হাত বেঁধে, ইটভর্তি বস্তার মাধ্যমে তাকে ডুবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। জোয়ার ভাটার স্রোতের তোরে ভাসতে ভাসতে মরদেহ আলগী খালে পৌঁছেছে বলেও ধারণা করছেন তারা।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত ছাড়া বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’ এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মশিউর মিলন/অলি/
আরও পড়ুন
সোনারগাঁয় ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা শেষ হচ্ছে আজ
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ এএম
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে আয়োজিত ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা দর্শনার্থীদের ভীড় ছবি: খবরের কাগজ
-->নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা শেষ হচ্ছে আজ। মরমী সাধক লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে গত ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই মেলাটি লোকজ সংস্কৃতি ও কারুশিল্পের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।
ফাউন্ডেশনের ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত এ কারুমেলায় ১৫ জন কারুশিল্পী তাদের হাতের তৈরি কারুপন্য নিয়ে অংশ নিয়েছেন।
মেলায় ঐতিহ্যবাহী নকশিকাঁথা, কাঠের চিত্রিত হাতি,ঘোড়া ও পুতুল। দারুশিল্প, হাতপাখা, বেতশিল্প, মাটির গহনা, ঝিনুক শিল্প, শতরঞ্জি, মনিপুরী তাঁত শিল্প, কুমিল্লার খাদি শিল্প, একতারা শিল্প ও তাঁতবস্ত্র শিল্পসহ মোট ১৫ জন কারুশিল্পী তাদের নিজস্ব তৈরি পণ্য সামগ্রী নিয়ে মেলায় অংশ নিয়েছেন। ফাউন্ডেশনে আগত দর্শনার্থীরা মেলায় কারুপন্য তৈরি প্রক্রিয়া সরাসরি দেখার পাশাপাশি এখান থেকে পছন্দের কারুপন্য কিনে নিতে পেরেছেন।
বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা, প্রদর্শন, পুনরুজ্জীবন ও কারুশিল্পীদের উন্নয়ন কল্পে এ মেলার আয়োজন করেছে বলে জানিয়েছেন ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন
মেলায় অংশ নেওয়া ঐতিহ্যবাহী নকশিকাঁথা শিল্পী হোসনে আরা বলেন, ‘ইতিহাস ঐতিহ্যের বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের আয়োজিত কারুমেলায় আগত দর্শনার্থীরা তাদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে হাতের তৈরি নকশী কাথা ক্রয় করেছেন। মেলার স্টলে বসেই তারা এ নকশী কাঁথা তৈরি করেন। ইতিহাস ও ঐহিত্যকে সুই সুতার মাধ্যমে তিনি নকশী কাঁথায় ফুটিয়ে তোলেন।’
দারুশিল্প রফিকুল ইসলাম জানান, মেলায় আগত দর্শনার্থীরা তাদের নিপুন হাতের তৈরি তৈজসপত্র দেখে মুগ্ধ হয়ে কিনে নিচ্ছেন। প্রতিদিন তিনি ভালো টাকার তৈজসপত্র বিক্রি করেছেন।
কুমিল্লার তিতাস উপজেলা থেকে আগত সাখায়াত সামিয়া দম্পত্তি জানান, অল্প পরিসরে মেলা হলেও ইতিহাস ঐহিত্যের মেল বন্ধন পাওয়া যায় কারু শিল্প মেলায়। হারিয়ে যাওয়া ঐহিত্য কাঠের তৈরি রঙিন ঘোড়া ও পুতুল, নকশি কাথা, শতরঞ্জিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এখান থেকে প্রাচীন কালে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের চিহ্ন কিনতে পেয়ে সন্তুষ্ট।
গাজীপুর থেকে বেড়াতে আসা মাসুদ মিয়া জানান, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের বেড়াতে এসে বাড়তি হিসেবে মেলা দেখতে পেলাম। মেলা থেকে পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র ও শিশুদের জন্য কারুশিল্পীদের হাতের তৈরি খেলনা কিনতে পেরেছেন।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহবুবুল আলম জানান, হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় ঘটানোর জন্য এ মেলার আয়োজন করা হয়। একসময় বটমূল, নদীর তীর বা নিদিষ্ট স্থানে গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি মেলায় ফুটে উঠানোর জন্য মেলার আয়োজন করা হতো।
এখন আর সেই মেলা দেখা যায় না। বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিবছর মাসব্যাপী মেলার পাশাপাশি বিভিন্ন দিবসে কারু পন্যের মেলার আয়োজন করে থাকে। মরমী সাধক লালন ফকির তীরোধান দিবস উপলক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
ইমরান হোসেন/অলি/
আরও পড়ুন
নরসিংদীর চৌয়ায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর, গুলি ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভাঙচুরের সময় কার্যালয়ে থাকা মাছুম মিয়া নামে এক ব্যক্তি আহত হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে এলাকার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারি হয়। পরে হঠাৎ দুর্বৃত্তরা এসে বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করে।
আহত মাছুম মিয়া বলেন, ‘চৌয়া গ্রামের বিএনপির কার্যালয়টি দেখাশুনা করেন তিনি। ঘটনার সময় তিনি ভেতরে শুয়ে ছিলেন। একদল লোক এসে কার্যালয়টি ভাঙচুর করে। এ সময় গুলিও করেছে তারা।’
আরও পড়ুন
দুর্বৃত্তরা অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে বিএনপি নেতাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ‘মাধবদী থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
ঘটনাস্থলে দুর্বৃত্তদের কাউকে পাওয়া যায়নি, তবে এ ঘটনায় কারো পক্ষ থেকে থানায় মামলা হয়নি বলে জানান তিনি ।
শাওন খন্দকার শাহিন/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
রিয়াজুল আলম ওরফে শাহীন। ছবি: সংগৃহীত
-->ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল আলম ওরফে শাহীনকে (৩০) ছিনিয়ে নিয়েছে এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের ডেকুয়ারচর গ্রামে ফুটবল খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে সরিষা ডেকুয়ারচর দাখিল মাদরাসা মাঠে রঙতরঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের ফুটবল খেলা শুরু হয়।
আরও পড়ুন
খেলাটির উদ্বোধন করেন সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল্লাহ খান জামান। খেলা দেখতে সেখানে উপস্থিত হন রিয়াজুল আলম। পরে তার অবস্থানের খবর পেয়ে আঠারবাড়ী রায়েরবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, রিয়াজুলকে আটক করতে গেলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি বাধা দেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকে সিএনজিতে তোলা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই সিএনজি ভাঙচুর এবং হাত কড়াসহ তাকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে । তবে হাতকড়া পরানো হয়েছিল কি না, এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে স্থানীয় সূত্রের তথ্যে ভিন্নতা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজুলের বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে।
এ ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলেও তারা তা অস্বীকার করেছেন। সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নূর আহাম্মদ ওরফে মিলন মিয়া বলেন, ‘তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। দূরের একটি চায়ের দোকানে ছিলেন। দূর থেকে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ধস্তাধস্তি দেখেছেন।’
রিয়াজুল আওয়ামী লীগ করেন বলেই পুলিশ তাকে ধরেছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক কারণে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ ঘটনায় তার নাম জড়ানো হচ্ছে।
সরিষা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হারুন অর রশিদ স্বপনও অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে এ ঘটনায় তার নাম জড়ানো হচ্ছে। তিনি পুলিশকে বারবার আটক ব্যক্তিকে নিয়ে যেতে বলেছেন।’
আঠারবাড়ী রায়েরবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি একটি বিশেষ অভিযানে আছেন। বিষয়টি ওসিকে জানানো হয়েছে। পরে কথা বলবেন।’
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘রিয়াজুল মাদকসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাকে পালাতে সহযোগিতা করেন।’
তবে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া বা গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
ওসি জানান, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ফয়সল আহমেদ/তামান্না রুপা/
