রাজ্যের সরকারি ও সরকারপোষিত কলেজগুলিতে পড়ুয়া ও শিক্ষক অনুপাতে চরম অমিল ধরা পড়ল। এনআইআরএফ ক্রমতালিকায় রাজ্যের অবস্থান উন্নত করতে গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি সম্প্রতি একটি রিপোর্ট উচ্চশিক্ষা দপ্তরে জমা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের ১১০টি কলেজ সরেজমিন পরিদর্শন করে এই কমিটি। পরিদর্শনে দেখা গেছে, অপরিকল্পিতভাবে কলেজ তৈরির ফলে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে তিনটি পর্যন্ত কলেজ গড়ে উঠেছে। এর জেরে পুরনো কলেজগুলিতে ভিড় জমলেও নতুন কলেজগুলিতে উন্নত পরিকাঠামো ও পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও পড়ুয়া মিলছে না।
উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুলগুলির মতো কলেজ স্তরেও শিক্ষক বদলি এবং সঠিক সামঞ্জস্য বিধানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের সর্বভারতীয় ক্রমতালিকায় অন্তত ২০টি রাজ্যকে প্রথম সারিতে আনতে এই ‘মিশন-২০’ পদক্ষেপ করেছে বিকাশ ভবন।
২০১৪ সালে অপ্রয়োজনীয় আসন বৃদ্ধি এবং কলেজগুলির এই অসামঞ্জস্যের কারণে সর্বভারতীয় তালিকায় রাজ্যের কলেজগুলির স্কোর ও র্যাঙ্কিং মার খাচ্ছে। পরিদর্শন করা ১০০টি কলেজের মধ্যে ৫০টির অবস্থা খারাপ, ২০টি দুর্বল এবং মাত্র ১০টি ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে কলেজ বন্ধের পক্ষে নয় কমিটি। বরং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুলগুলির মতো কলেজ স্তরেও শিক্ষক বদলি এবং সঠিক সামঞ্জস্য বিধানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের সর্বভারতীয় ক্রমতালিকায় অন্তত ২০টি রাজ্যকে প্রথম সারিতে আনতে এই ‘মিশন-২০’ পদক্ষেপ করেছে বিকাশ ভবন।
উল্লেখ্য, জুলাই মাস নাগাদ রাজ্যের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষাদপ্তরের ২ আধিকারিককে নিয়ে ১৪ সদস্যের স্টেট লেভেল অ্যাডভাইসারি অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি ফর এনআইআরএফ কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। সেই কমিটি খতিয়ে দেখছে রাজ্যের কলেজগুলির কাঠামো। উন্নতির জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তাও এই কমিটি সুপারিশ করবে বলে জানা গিয়েছে।
