এম. এ. আজিজ রাসেল, সিবিএন;
বিলাসবহুল ভবনের আলিশান ফ্ল্যাটে মজুত রাখা হতো লাখ লাখ ইয়াবা। সুযোগ বুঝে প্রাইভেট কারে এসব ইয়াবার বড় চালান পৌঁছে দেওয়া হতো ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। কক্সবাজার শহরের শহীদ স্মরণি এলাকার একটি নবনির্মিত ভবনে অভিযান চালিয়ে তিন লাখ ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নারায়ণগঞ্জের ‘রাহাত’ নামের এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে শহীদ স্মরণি এলাকার কোরাল রিফের নবনির্মিত ‘পূর্বিতা’ ভবনের অষ্টম তলার ‘এইট-এ’ ফ্ল্যাটে এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন শরীয়তপুরের আবদুল কাদেরের ছেলে মো. আরমান, বরিশালের শামীম এবং ভোলার কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রাকিব।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, নারায়ণগঞ্জের ‘রাহাত’ নামের এক ব্যক্তি ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। ঢাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুত করা হতো। এর আগেও ওই ফ্ল্যাট থেকে ২০ লাখ ইয়াবার একটি চালান সরবরাহ করা হয়েছিল বলে তারা দাবি করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। রাহাতসহ চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধারের এ ঘটনায় অভিজাত আবাসিক ভবনকে মাদক মজুত ও পাচারের কাজে ব্যবহারের অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তদন্তে কথিত এই চক্রের পুরো নেটওয়ার্ক এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় বেরিয়ে আসে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
