Published on
:
2 min read
বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খানের বান্দ্রার বাড়িতে হামলার ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতেই সামনে এল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে গভীর রাতে অভিনেতার বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল এক অনুপ্রবেশকারী। সেই সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন সইফ, তাঁর স্ত্রী করিনা কপূর খান এবং তাঁদের দুই সন্তান তৈমুর ও জেহ। এ বার আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সেই রাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন পরিবারের পরিচারিকা তথা ছোট ছেলে জেহর দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা নার্স।
দুষ্কৃতী ঠিক কত টাকা দাবি করেছিল, আদালতে সেই কথাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, প্রথমে জেহর ঘরে এক সন্দেহজনক ব্যক্তিকে দেখতে পান তিনি। শিশুটির কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করতেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয়। পরে পরিস্থিতি বুঝে ঘরে চলে আসেন সইফও। আর তার পরেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি।
মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে বয়ান দেন ৫৯ বছর বয়সি এই নার্স। তাঁর কথায়, 'রাত প্রায় ২টো নাগাদ একটি শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। ঘরের দরজা খোলা ছিল, বাথরুমের আলোও জ্বলছিল। প্রথমে মনে হয়েছিল, হয়তো করিনা জেহকে দেখতে এসেছেন।' নার্স জানিয়েছেন, পরে তিনি বুঝতে পারেন করিনা নয়, অন্য কেউ। নার্সের কথায়, 'দেখতে পাF, টুপি পরা এক ব্যক্তির ছায়া জেহর বিছানার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে জেহর কাছে ছুটে যাই।' তাঁর অভিযোগ, আততায়ীর হাতে ছিল একটি হেক্সা ব্লেড এবং একটি লাঠি। নার্স বাধা দিতে গেলে তাঁর আঙুলে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে।
আদালতে নার্স জানিয়েছেন, তিনি ওই ব্যক্তির কাছে জানতে চেয়েছিলেন, সে কী চায়। উত্তরে সে টাকা দাবি করে। কত টাকা চাই, জানতে চাইলে অভিযুক্ত জানায়, এক কোটি টাকা। বাড়ির ভিতর থেকে আওয়াজ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন সইফ আলি খান ও করিনা কপূর খান। সইফ অনুপ্রবেশকারীকে প্রশ্ন করেন, সে কে এবং কী চায়। কিন্তু পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, এর পরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে অভিনেতার উপর হামলা চালায় ওই ব্যক্তি। পরিবারের অন্য এক কর্মীও আক্রান্ত হন।
