কুষ্টিয়া অঞ্চলে তুলার আঁশের গুণগত মান ভালো হওয়ায় এখানকার তুলার চাহিদা বেশি। ফলে জেলাটিতে বাড়ছে তুলার চাষ। এখন ভালো ফলনের আশায় ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।
দেশে তুলার চাহিদা বেশি থাকলেও সে তুলনায় উৎপাদন কম। ফলে চাহিদার বড় একটি অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। এ অবস্থায় দেশের তুলার উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে কুষ্টিয়া অঞ্চল।
চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়া জেলায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের তুলার আবাদ হয়েছে। এর সিংহভাগই চাষ হয়েছে সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলায়। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন তুলাগাছের সবুজ সমারোহ। ভালো ফলনের প্রত্যাশায় নিয়মিত পরিচর্যা করছেন কৃষকেরা।
দেশে তুলার আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন বাড়াতে চাষিদের উৎসাহিত করছে সরকার। চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়া জেলায় ২ হাজার ২০০ জন তুলাচাষিকে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কারিগরি পরামর্শের মাধ্যমে তুলা চাষকে আরও লাভজনক করার উদ্যোগ নিয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি বিভাগ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুষ্টিয়া জেলার তুলার গুণগত মান ভালো। তাই তুলা চাষকে আরও লাভজনক ও চাষিদের মাঝে জনপ্রিয় করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কারিগরি সহায়তার দিকেও জোর দেয়া হচ্ছে।
অনুকূল আবহাওয়া, সরকারি প্রণোদনা ও চাষিদের নিবিড় পরিচর্যায় চলতি মৌসুমেও কুষ্টিয়ায় তুলার বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের আশা, উৎপাদন বাড়লে দেশের তুলার চাহিদা পূরণে স্থানীয় উৎপাদনের অবদান আরও বাড়বে এবং লাভবান হবেন কৃষকেরা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
