আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তা সত্যি করেই শনিবার ফ্রান্সের রাজপথের দখল নিলেন চার লক্ষেরও বেশি বিক্ষোভকারী। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে অশান্তি। মুখোশ পরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে। পালটা জবাব দিয়েছে বাহিনীও। গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রায় ১ হাজার বিক্ষোভকারীকে।
মুদ্রাস্ফীতি, নাগরিক পরিষেবার বেহাল দশা, জ্বালানির দামবৃদ্ধি, শিক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কারের দাবিতে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে ফ্রান্স। প্রাথমিকভাবে আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও পরে তা হিংসাত্মক রূপ ধারণ করেন। প্রতিবাদের নামে চলে লুটপাট, মারধর, এমনকী দিকে দিকে অগ্নিসংযোগও করে দেওয়া হয়। শনিবার প্যারিস-সহ একাধিক শহরে পথে নামেন বিক্ষোভকারীরা। তবে আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রশাসন। মোতায়েন করা হয় প্রায় ৭০ হাজার পুলিশকে। অশান্তির আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয় দোকানপাট, জাদুঘর এবং প্যারিসের একাধিক মেট্রো স্টেশন। কার্যত অঘোষিত লকডাউনের পরিস্থিতি তৈরি হয় প্যারিসের একটা বিরাট অংশে।
Professional Cameraman captures insane up close footage from Paris https://t.co/pYvv8mCIjy
— Concerned Citizen (@BGatesIsaPyscho) October 24, 2026
#WATCH | A large number of people protest across France against the rising cost of living; visuals from Paris. (Source: Reuters) https://t.co/TzNTfAfCJF
— ANI (@ANI) October 24, 2026
ফ্রান্স সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছিলেন ৪.১ লক্ষ মানুষ। তবে সূত্রের খবর, সংখ্যাটা প্রায় ৮ লক্ষের কাছাকাছি। তবে এদিন মূল প্রতিবাদের কেন্দ্র ছিল প্যারিস। সেখানে প্রায় ১ লক্ষেরও বেশি জমায়েত হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও শেষের দিকে অশান্তি বাধে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান আন্দোলকারীরা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ। ছোড়া হয় জলকামানও। একইসঙ্গে লাঠি চার্জও করে পুলিশ। প্যারিসের পাশাপাশি লিওঁ, মার্সেই, বোর্দো, লিল, নঁত-সহ বেশ কিছু শহরেও বিক্ষিপ্ত উত্তেজনা দেখা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে সামনের দিকে এগিয়ে যান বিক্ষোভকারীরা। শুধু তাই নয়, দিকে দিকে অগ্নিসংযোগও করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

Professional Cameraman captures insane up close footage from Paris https://t.co/pYvv8mCIjy