আগামী ৩১ অক্টোবর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ।
আগামী ৩১ অক্টোবর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ। প্রায় এক হাজার গাড়ির বিশাল বহর নিয়ে এ কর্মসূচি শেষ হবে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠের সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লংমার্চ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য এবং লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা আবদুল হালিম; সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির এবং সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি। সভায় শৃঙ্খলা, প্রচার, আইটি ও সাংস্কৃতিক বিভাগের দায়িত্বশীল এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।
সভায় ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। মিয়া গোলাম পরওয়ার বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। এ সময় তিনি লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সভায় জানানো হয়, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া ১১ দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেবেন। সকাল ৮টায় প্রায় এক হাজার গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ শুরু হবে।
মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভাঙ্গা (ফরিদপুর), গোপালগঞ্জ, ফকিরহাট (বাগেরহাট) ও রূপসা সেতু হয়ে খুলনায় পৌঁছাবে বহরটি। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠের সমাপনী সমাবেশে যোগ দেবে লংমার্চের গাড়িবহর। এ যাত্রায় গণমাধ্যমকর্মী, চিকিৎসক, শিল্পী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেবেন।
লংমার্চের পথে কয়েকটি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায়, সকাল ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে, বেলা সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বরে এবং দুপুর ২টায় ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা হবে।
এছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড় এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশে যোগ দেবে লংমার্চের বহর।
