চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর রেফারিদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা বারবার তাঁকে ফাউল করলেও শাস্তি পেতে হয় তাঁকেই। একই সঙ্গে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা তারকা খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গত শনিবার লা লিগায় ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে প্রতিপক্ষের নাথান সালিবার চুল টেনে লাল কার্ড দেখেন ভিনিসিয়ুস। ওই ঘটনায় তাঁকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পাশাপাশি রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করায় আরও দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ফলে আগামী ২৫ অক্টোবর বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোসহ লা লিগার চারটি ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।
বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগে রোমার বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের ৪-৩ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ের পর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ খোলেন ভিনিসিয়ুস। তাঁর মতে, এমন শাস্তির নজির তাঁর জানা নেই। নাথান সালিবার সঙ্গে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘আমার মনে পড়ে না, অন্য কোনো খেলোয়াড় কখনো চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছে। আমার সামনে থাকা খেলোয়াড়কে সরানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার চুলে জড়িয়ে যাই। এটা লাল কার্ড, তাই আমি অবাক হয়েছিলাম। তবে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার মতো কোনো অপমানজনক কথা আমি রেফারিকে বলিনি।’
রেফারিদের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই ব্রাজিলিয়ান তারকা বলেন, ‘প্রতিপক্ষের সমর্থকেরা আমাকে দুয়ো দেবে, এটা স্বাভাবিক। কারণ, তাদের দলের বিপক্ষে গোল করাই আমার কাজ। কিন্তু রেফারিদের বুঝতে পারি না। পরিসংখ্যান দেখেছি, আমার বিরুদ্ধে ৫০০টি ফাউল হয়েছে, অথচ তাতে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা লাল কার্ড দেখেছেন মাত্র পাঁচবার। শেষ পর্যন্ত হলুদ কার্ডটা সব সময় ভিনিরই জোটে।’
তবে নিষেধাজ্ঞা ও সমালোচনা সত্ত্বেও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভিনিসিয়ুস। নিজের অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি আবার ফিরব। তরুণ বয়সে যখন এসেছিলাম, অনেকেই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করত। শেষ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ১০০টির বেশি গোল করেছি।’
