দু’বছর পর মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে পাকিস্তান। প্রতিযোগিতার দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে আইসিসি। ২০২৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। তবে পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে যাবে না ভারত। দুই দেশের মধ্যে হাইব্রিড মডেলের চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের ম্যাচগুলি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। যদিও বিকল্প মাঠের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি আইসিসি।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে হাইব্রিড মডেলের চুক্তি অনুযায়ী, কোনও একটি দেশে আইসিসি-র প্রতিযোগিতা আয়োজিত হলে অন্য দেশকে নিরপেক্ষ মাঠে খেলতে হয়। গত বছর পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজিত হলেও ভারতের ম্যাচগুলি হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। একই পথে হেঁটে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারতের ম্যাচগুলি দুবাইয়ে আয়োজন করা হতে পারে।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্রের খবর, ভারতের ম্যাচগুলি বাদ দিয়ে প্রতিযোগিতার বাকি সব ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী তারা। নিরপেক্ষ কেন্দ্র হিসাবে আমিরশাহীকেই বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন তিনি। সংবাদ সংস্থাকে ওই সূত্র জানিয়েছেন, “ভারতকে বাদ দিয়ে গ্রুপ পর্ব ও নকআউটের সব ম্যাচ আয়োজন করতে চাই আমরা। নিরপেক্ষ কেন্দ্র হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাকিস্তানের কাছাকাছি হওয়ায় দুবাইয়ে যাতায়াতের খরচও কম হবে।”
ভারতীয় দল প্রতিযোগিতার নকআউট পর্বে ওঠার অন্যতম প্রধান দাবিদার। তাই বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে ভারতের পারফরম্যান্সের উপর। ভারত নকআউট পর্বে না উঠলে ফাইনাল হওয়ার কথা লাহোরে। অন্যথায় খেতাবি লড়াই হতে পারে দুবাইয়ে। মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তানের ক্রিকেটমহলেও প্রত্যাশা রয়েছে। এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দেশের মহিলা ক্রিকেটের পরিকাঠামো আরও উন্নত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী পিসিবি।
