Published on
:
2 min read
পুজোর ক’দিন নিজের উপর নানা ভাবে অত্যাচার করেছেন। বছরের এই একটা দিন কোনও বাধাই মানেননি। তেলমশলা দেওয়া খাবার যেমন খেয়েছেন, তেমনই দিনরাত এক করে টানা প্যান্ডেল হপিং-ও করেছেন। এখন টের পাচ্ছেন ত্বকের বারোটা বেজেছে। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক স্পর্শকাতর, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা আরও প্রকট। ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, খসখসে ভাব, চুলকানি কিংবা ফাইন লাইনস-এর মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে।
ডার্মাটোলজিস্টরা বলছেন, প্রতিদিনের এই ক্ষতিকর উপাদানগুলো ত্বকে ‘ফ্রি র্যাডিকল’ তৈরি করে, যা কোলাজেনের বন্ড ভেঙে দেয় এবং অকাল বার্ধক্যের সৃষ্টি করে। পুজোর সময় রোজ মেকআপ-ও করেন অনেকে। সেখান থেকেও ত্বকের সমস্যা হতে পারে। শুধুমাত্র ত্বক লাল হলে বা জ্বালা শুরু করলে পরিচর্যা করার চেয়ে একটি নির্দিষ্ট AM-PM (সকাল ও রাতের) স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চলা জরুরি।
সকালের রুটিন (AM Routine):
দিনের বেলায় স্কিনকেয়ারের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দূষণ ও রোদের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করা।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট-যুক্ত উপাদান: সকালের রুটিনে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ উপাদান বা সিরাম (যেমন গ্যালিক অ্যাসিড) ফ্রি-র্যাডিকল-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে বাঁচায়।
সানস্ক্রিন বাধ্যতামূলক: শুধু অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সিরাম কিন্তু সানস্ক্রিনের বিকল্প হতে পারে না। স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য অন্তত SPF 30 যুক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম, ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।
গন্ধহীন ময়েশ্চারাইজ়ার: স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য গন্ধবিহীন, জেন্টল ময়েশ্চারাইজ়ার বেছে নেওয়াই ভালো।
রাতের রুটিন (PM Routine):
ত্বকের উপরিভাগে জমা ধুলোবালি, মেকআপ-এর অংশ তুলে ফেলার এবং ক্ষত সারিয়ে তোলার জন্য রাতই হল সেরা সময়।
ডাবল ক্লিনজ়িং: মেকআপ, সানস্ক্রিন ও ধুলোময়লা পরিষ্কার করতে ডাবল ক্লিনজ়িং মেথড-এর উপর ভরসা রাখতে পারেন। সবসময় মাইল্ড ক্লিনজ়ার ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।
সেরামাইড ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিড: ময়েশ্চারাইজ়ারে ‘সেরামাইডস’ থাকা অত্যন্ত জরুরি, যা ত্বকের স্কিনম ব্যারিয়ার মজবুত রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ‘হায়ালুরোনিক অ্যাসিড’ ত্বকের আর্দ্রতাও ধরে রাখে।