বাংলাদেশে উন্নয়নের একটি পরিচিত চিত্র রয়েছে। কোথাও নতুন সড়ক নির্মিত হচ্ছে, কোথাও শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে, কোথাও পর্যটনকেন্দ্র, বিলাসবহুল রিসোর্ট কিংবা আবাসন প্রকল্পের সম্প্রসারণ ঘটছে। এসব উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রাজস্ব আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হিসাব।
পাহাড় কেটে পর্যটনকেন্দ্র নির্মাণ করলে কত পর্যটক আসবেন, কত টাকা আয় হবে, সেই হিসাব পাওয়া যায়। জলাশয় ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণ করলে জমির বাজারমূল্য কত বাড়বে, তার হিসাবও করা সম্ভব। কিন্তু যে পাহাড় কেটে ফেলা হলো কিংবা যে জলাশয় ভরাট করা হলো, তার অর্থনৈতিক মূল্য কত ছিল এবং তা হারিয়ে সমাজকে কতটুকু ক্ষতি বহন করতে হবে, সেই হিসাব খুব কমই সামনে আসে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবেশগত ঘটনাগুলো এই অর্থনৈতিক অসংগতিকে আরও স্পষ্ট করে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা, বান্দরবান, সিলেট, গাজীপুর কিংবা ঢাকার পরিবেশগত সংকট ভৌগোলিকভাবে আলাদা হলেও এগুলোর পেছনে একটি সাধারণ সমস্যা রয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সুবিধা অর্জনের ক্ষেত্রে যতটা আগ্রহ দেখা যায়, সেই সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অবদান সংরক্ষণে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
২০২৬ সালের মার্চে কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকত থেকে পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে সৈকতের জায়গা দখল করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। অথচ সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও জনসাধারণের প্রবেশাধিকার সংরক্ষণই দীর্ঘমেয়াদে পর্যটন অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। পর্যটনের প্রসার, অপরিকল্পিত নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং প্রবাল বাস্তুতন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
২০২৫ সালে প্রকাশিত এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দ্বীপের ভূমি ব্যবহার ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের তথ্য উঠে আসে। এখানে অর্থনৈতিক বৈপরীত্য স্পষ্ট। যে প্রবাল, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ওপর পর্যটন ব্যবসা নির্ভরশীল, সেই সম্পদ ধ্বংস করেই যদি পর্যটনের সম্প্রসারণ ঘটে, তাহলে বর্তমান মুনাফার বিনিময়ে ভবিষ্যতের আয়ের উৎস দুর্বল হয়ে পড়ে।
কুয়াকাটায়ও একই সংকটের ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ২০২৫ সালে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনে সৈকতের জমি দখল করে হোটেল-রেস্তোরাঁ নির্মাণ এবং পাঁচ বছরে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বনভূমি হারিয়ে যাওয়ার তথ্য উঠে আসে। প্রাকৃতিক ভাঙন, লবণাক্ততা ও বন উজাড়সহ বিভিন্ন কারণে এই ক্ষতি হয়েছে।
উপকূলীয় বন শুধু সৌন্দর্যের উৎস নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কমাতেও ভূমিকা রাখে। ফলে বন ধ্বংসের পর একই এলাকায় কংক্রিটের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নির্মাণে যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়, তাও প্রকৃতির হারিয়ে যাওয়া সেবার অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতিও ভিন্ন নয়। বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পর্যটনকেন্দ্র ও রিসোর্ট নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটা, গাছ উজাড় এবং প্রাকৃতিক জলধারা বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। পাহাড় কাটা শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে না; ভূমিক্ষয়, ভূমিধসের ঝুঁকি, পানির প্রাপ্যতা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। একটি পর্যটনকেন্দ্র কয়েক বছরের মধ্যে বিনিয়োগ ফেরত আনতে পারলেও ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের প্রাকৃতিক কাঠামো পুনরুদ্ধারে কত বছর লাগবে, তার হিসাব অনেক ক্ষেত্রেই থাকে না।
সিলেটের ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর ও জাফলংয়ে ২০২৫ সালে ব্যাপক পাথর লুটের ঘটনা প্রকৃতি ধ্বংসের আরেকটি অর্থনৈতিক দিক তুলে ধরে। একটি পাথরের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা সহজ। কিন্তু সেই পাথর যখন নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পর্যটন আকর্ষণের অংশ ছিল, তখন তার অর্থনৈতিক অবদান কত ছিল?
সাদাপাথরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নৌপরিবহন, দোকানপাট, খাবার ব্যবসা ও পর্যটনসেবায় জীবিকার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। পাথর বিক্রির তাৎক্ষণিক লাভের সঙ্গে এই দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ক্ষতি তুলনা করা জরুরি।
গাজীপুরের শালবনেও আবাসন, শিল্পায়ন ও পর্যটনকেন্দ্রের সম্প্রসারণ প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষভাবে লক্ষণীয়, বিভিন্ন এলাকায় প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে ‘ইকো’ শব্দটির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
ইকো রিসোর্ট, ইকো পার্ক কিংবা ইকো ট্যুরিজম নাম শুনলে পরিবেশ সংরক্ষণের ধারণা তৈরি হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক বন পরিষ্কার করে, পাহাড় কেটে কিংবা জলধারা বাধাগ্রস্ত করে পর্যটনকেন্দ্র নির্মাণ করা হলে শুধু নামের সঙ্গে ‘ইকো’ যুক্ত করে তাকে পরিবেশবান্ধব বলা যায় না।
পরিবেশগত ক্ষতি আড়াল করে পরিবেশবান্ধব হওয়ার দাবি করার এই প্রবণতা ‘গ্রিনওয়াশিং’ হিসেবে পরিচিত। একটি রিসোর্টের সুন্দর বাগান কিংবা কৃত্রিম জলাশয় কখনোই প্রাকৃতিক বনের বিকল্প হতে পারে না।
সুন্দরবনের ক্ষেত্রেও শিল্পায়ন, নৌপরিবহন, পর্যটন ও অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের দ্বন্দ্ব রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি কমানো, কার্বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বননির্ভর মানুষের জীবিকা বজায় রাখতে সুন্দরবনের অর্থনৈতিক অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৬ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে সুন্দরবনের ঢাংমারী খালের পাশে গড়ে ওঠা রিসোর্ট এবং ডলফিনের আবাসস্থলে পর্যটনসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি তুলে ধরা হয়েছে। এই বনকে ঘিরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার না করেও বলা যায়, প্রাকৃতিক সেবার দীর্ঘমেয়াদি মূল্য বিবেচনায় না নিলে প্রকৃত লাভ-ক্ষতির হিসাব অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
প্রকৃতি ধ্বংসের এই প্রবণতা কেবল বন, পাহাড় কিংবা সমুদ্রসৈকতে সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকাসহ দেশের নগরাঞ্চলেও জলাশয় ও নিম্নভূমি ভরাট করে আবাসন ও অবকাঠামো নির্মাণ দীর্ঘদিন ধরে চলছে।
২০২৬ সালে প্রকাশিত নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের একটি প্রাথমিক গবেষণায় দেখা যায়, ঢাকা ও আশপাশের বিস্তৃত গবেষণা এলাকায় ১৭৭৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নদী, খাল, পুকুর ও জলাশয়ের মোট আয়তন প্রায় ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। জলাশয়ের এই দীর্ঘমেয়াদি সংকোচন নগর পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।
আরও পড়ুন
একটি খাল কিংবা জলাশয় বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ধারণ করে, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণে সহায়তা করে এবং স্থানীয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। অথচ তা ভরাট করে আবাসন প্রকল্প নির্মাণ করলে জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি পায়, কিন্তু জলাবদ্ধতা, অতিরিক্ত নিষ্কাশনব্যবস্থা নির্মাণ এবং পরিবেশগত ক্ষতির ব্যয় পুরো শহরের ওপর ছড়িয়ে পড়ে। অর্থাৎ একটি পক্ষের আর্থিক লাভের বিপরীতে অন্যদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় বহন করতে হয়।
অর্থনীতিতে বিষয়টিকে ‘নেতিবাচক বহিঃপ্রভাব’ বলা হয়। কোনো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুবিধা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পেলেও তার ক্ষতির একটি অংশ সমাজের অন্য মানুষকে বহন করতে হয়। প্রকৃতি ধ্বংসের ক্ষেত্রে এই বহিঃপ্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পরিবেশগত ক্ষতি অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি এবং এর প্রভাব একাধিক প্রজন্মের ওপর পড়তে পারে।
প্রকৃতির এসব সুবিধাকে অর্থনীতিতে ‘ইকোসিস্টেম সার্ভিসেস’ বা ‘বাস্তুতন্ত্রের সেবা’ বলা হয়। বন কার্বন শোষণ ও সংরক্ষণ করে, জলাশয় পানি ধারণ করে, ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় দুর্যোগের ক্ষতি কমায় এবং পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ভূমিক্ষয় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এসব সেবার সরাসরি বাজারদর না থাকলেও অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে।
বাংলাদেশের পরিবেশগত সংকটের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বোঝার জন্য বিশ্বব্যাংকের ২০২৪ সালের মার্চে প্রকাশিত Bangladesh Country Environmental Analysis 2023 গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে ২০১৯ সালের তথ্যের ভিত্তিতে দেখানো হয়, বায়ুদূষণ, অনিরাপদ পানি, দুর্বল স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি এবং সিসার সংস্পর্শসহ বিভিন্ন পরিবেশগত স্বাস্থ্যঝুঁকির অর্থনৈতিক ব্যয় দেশের জিডিপির প্রায় ১৭ দশমিক ৬ শতাংশের সমপরিমাণ ছিল। এসব ঝুঁকির সঙ্গে বছরে ২ লাখ ৭২ হাজারের বেশি অকালমৃত্যুর সম্পর্ক পাওয়া যায়। এটি সরাসরি বন উজাড় কিংবা পাহাড় কাটার ক্ষতির হিসাব নয়, তবে পরিবেশগত অবক্ষয় যে জাতীয় অর্থনীতির জন্য কত বড় বোঝা তৈরি করতে পারে, তা স্পষ্ট করে।
এখানে প্রচলিত মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির হিসাবের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। একটি বন কেটে স্থাপনা নির্মাণ করলে নির্মাণকাজ, শ্রম ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জিডিপি বাড়তে পারে। আবার সেই বন ধ্বংসের ক্ষতি মোকাবিলায় নতুন প্রকল্প নেওয়া হলে সেখানেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয়।
অর্থাৎ প্রকৃতি ধ্বংস এবং সেই ক্ষতি মোকাবিলার কার্যক্রম উভয়ই জিডিপিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সম্পদের মূল্য জিডিপি থেকে সরাসরি বাদ দেওয়া হয় না। ফলে জিডিপি বৃদ্ধি পেলেই দেশের সামগ্রিক সম্পদ ও কল্যাণ একই হারে বাড়ছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
এই সীমাবদ্ধতা দূর করার একটি উপায় হলো ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্টিং’ বা প্রাকৃতিক মূলধনের হিসাব। এর মাধ্যমে বন, নদী, পাহাড়, জলাশয় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমাণ, গুণগত পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অবদান মূল্যায়ন করা সম্ভব।
একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের সামাজিক ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণে পরিবেশগত ক্ষতি, জীবিকার ওপর প্রভাব এবং পুনরুদ্ধার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে প্রকৃতির সব ক্ষতি অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। কোনো বিরল প্রাণীর আবাসস্থল কিংবা শত বছরের প্রাকৃতিক বন একবার ধ্বংস হয়ে গেলে তার পূর্ণ পুনরুদ্ধার হয়তো আর সম্ভব হবে না।
বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাই কয়েকটি মৌলিক পরিবর্তন জরুরি। পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় প্রকল্প অনুমোদনের আগে প্রকৃত সামাজিক ও পরিবেশগত ব্যয় নির্ধারণ করতে হবে। বনভূমি, পাহাড়, জলাশয় ও উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
পরিবেশগত ছাড়পত্রকে শুধু আনুষ্ঠানিক অনুমোদন হিসেবে না দেখে বাস্তব মানদণ্ড অনুসরণের নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মতামত ও জীবিকাকে প্রকল্প মূল্যায়নের কেন্দ্রে রাখতে হবে। প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটন অবশ্যই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। কিন্তু পর্যটনের প্রধান সম্পদ যদি প্রকৃতিই হয়, তাহলে সেই প্রকৃতি সংরক্ষণ হওয়া উচিত বিনিয়োগের প্রথম শর্ত।
পাহাড় কেটে পাহাড়ের সৌন্দর্য বিক্রি করা, বন উজাড় করে বনভ্রমণের ব্যবস্থা করা কিংবা সমুদ্রসৈকত দখল করে সমুদ্রের দৃশ্য বিক্রি করা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ব্যবসায়িক মডেল হতে পারে না।
রাকিব হোসেন : পিএইচডি গবেষক, অর্থনীতি বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
rakib_hossain@wvi.org
