টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় নিরাপদ যাতায়াতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এই অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়, যা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকে।
অবরোধের ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের উভয় লেনে প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আকস্মিক এই কর্মসূচির কারণে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েন ঈদুল আজহা ও দৈনন্দিন যাতায়াতে বের হওয়া সাধারণ যাত্রী এবং পরিবহন চালকেরা।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, হাতিয়া এলাকায় একটি কলেজ, যমুনা কলেজ এবং একটি ব্যস্ত বাজার থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক পারাপার হতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য এই সড়ক পারাপার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায়ই এখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এই স্থায়ী ঝুঁকি নিরসনে দীর্ঘদিন ধরে একটি আন্ডারপাস বা ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এর প্রতিবাদেই সোমবার সন্ধ্যায় এলাকাবাসী সড়কে নেমে আসেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি জানান, মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারভুক্ত। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
