আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুর্গাপুজোর সপ্তমীতে অভিশপ্ত রাত কলকাতায়। শোকের ছায়া বাংলা জুড়ে। চোরবাগানেআ পদপিষ্ট হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ২৫ জন। এই পরিস্থিতিতে পাঁচজনের দেহ শনাক্ত করল পুলিশ। নিহতদের মধ্যে যাঁদের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে, তাঁদের নামের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন আরতি সরকার বিশ্বাস, তিনি চাকদহের বাসিন্দা ছিলেন। শুভম সোনকার, তিনি জোড়াবাগানের বাসিন্দা ছিলেন। শ্রীপর্ণা পোদ্দার, বৈদ্যবাটির বাসিন্দা ছিলেন। প্রিয়া সমাদ্দার (২৫), নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দা ছিলেন। মিঠু পাল (৪৫), তিনি কুমারটুলির বাসিন্দা ছিলেন। এছাড়াও প্রাণ হারিয়েছে একাদশ শ্রেণির দুই ছাত্রী তানিয়া বিশ্বাস ও সোনালী হালদার।
ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, 'উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে আজকে অত্যন্ত মর্মান্তিক দুঃখজনক ঘটনা ঘটে গিয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৭ জন মারা গিয়েছেন, আহত ২৫। যাঁর মধ্যে গুরুতর আহতও আছেন। আমরা প্রত্যেকের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিচ্ছি।' সঙ্গেই তিনি বলেন, 'প্রাথমিকভাবে ক্লাবের পক্ষ থেকে মাইক একটি ঘোষণার পরেই এই পদপিষ্টের মতো বা শ্বাসকষ্টের ঘটনা ঘটার কারণেই এতগুলি মৃত্যু হল। অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা পুজোর মধ্যে ঘটল। আমাদের প্রাথমিক কাল স্বজনহারা পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো। যাঁরা আহত আছেন, তাঁদের সুস্থ করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া। সরকার একযোগে কাজ করছে।'
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে, দ্রুত এই দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, 'ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পুজোকমিটি, প্যান্ডেলে নিরাপত্তার দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, প্রাইভেট এবং কলকাতা পুলিশের, প্রত্যেককে থানাতে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে। সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত করতে।' ফরেন্সিক না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে না যাওয়ার অর্জিও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
