আজকাল ওয়েবডেস্ক: বদলায়নি বাংলাদেশ। কুষ্টিয়া (কুমারখালী), টাঙ্গাইল (মির্জাপুর)-সহ একাধিক জায়গায় রাতের অন্ধকারে নির্মীয়মাণ প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবেশী দেশটির প্রশাসনের তরফে মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তা ও সিসিটিভি ক্যামেরা বাড়ানোর বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও এইসব ঘটনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ বেড়েছে। ওপার বাংলার সংখ্য়ালঘুদের বিরুদ্ধে নির্যাতন নিয়ে সরব পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কেন এ নিয়ে এ বাংলার কবি, সাহিত্যিক, অভিনেতা-সহ সুশীল সমাজ মুখ খুলছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শমীক।
রাজ্য বিজেপি সভাপতির কথায়, "বাংলাদেশের হিন্দুরা নির্যাতিত। অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে বলেছি। গৌতম ঘোষ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যাঁরা বাংলাদেশে অভিনয় করেছেন তাঁরা এখন কোথায়? তাঁরা কেন কোন কথা বলছেন না? তাঁরা রাস্তায় নামছেন না কেন। তাঁদের থেকে প্রতিবাদ শুনতে চাই। নিরাপদ আশ্রয় বসে সংস্কৃতি চলচ্চিত্রের কথা বলব, আমি সমালোচনা করব, বিষয়টা সেটা নয়। কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধ নেই আমার। শুধু বলব, যাঁরা কবি আছেন, যাঁরা বলেন এপার বাংলা ওপার বাংলা এক- আমরা বাংলা ভাষায় স্বপ্ন দেখি কবিতা লিখি সেই কবিতা কোথায়? কবি সাহিত্যে থিয়েটার কর্মী চলচ্চিত্র কর্মী যাদের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ রয়েছে তাঁরা আজকের দিনে রাস্তায় নামা উচিত।"
এখনও জেলবন্দি বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভূ। তাঁর সঙ্গে ইসকনের সম্পর্ক বিচ্ছেদের কথাও শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, "ইসকনের একজন সন্ন্যাসী প্রতিবাদ করেছিলেন, তারপরও ইসকনকে দেখলাম হরিনাম করতে করতে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করল। তাঁদের সন্ন্যাসী আন্দোলন করলেন প্রতিহত করতে চেয়েছিলেন। তিনি সঙ্ঘবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। মানুষকে বলেছিলেন এই দেশটা আমাদের দেশ এই দেশ ছেড়ে আমরা যাব না। হিন্দুশুন্য করে পাকিস্তানকে বেশি এক্সেস দেব না। ভারত এর ক্ষতি করব না ভারত আমাদের বন্ধু। তাঁর কাছ থেকে ইসকন সরে গেল। এখানে নৃত্য করবেন, আর সত্যকে অস্বীকার করবেন এটা চলতে পারে না।। "
শমীকের সাফ কথা, "বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে না। যে ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ এর জন্মদাত্রী তাঁর লাইব্রেরীতে আগুন ধরানো হয়েছে। এর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতিবাদে নামতে হবে।"
বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি লাগানো ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। রাজ্য বিদেপি সভাপতির কথায়, "ওখানে বাংলার মনীষীদের ওরা টার্গেট করছে। এভাবে কত দিন মানুষ বাঁচতে পারে? আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও নীরব বাংলাদেশ নিয়ে।"
