Published on
:
1 min read
দ্বিতীয়বার মাতৃত্বের পথে পা বাড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আডবাণী। গর্ভাবস্থার এই বিশেষ সময়েও তাঁর ত্বকের স্বাভাবিক দীপ্তি ও উজ্জ্বলতা নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। সম্প্রতি এক প্রসাধনী ব্র্যান্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে নিজের দৈনন্দিন স্কিন কেয়ার রুটিনের সবচেয়ে জরুরি বা ‘নন-নেগোশিয়েবল’ স্টেপের কথা শেয়ার করেছেন তিনি। কিয়ারার কথায়, ত্বকের সুরক্ষার ক্ষেত্রে সানস্ক্রিন তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। মজার ছলে অভিনেত্রী জানান, ‘সানস্ক্রিন আমার কাছে বাধ্যতামূলক। আমি তো একপ্রকার সানস্ক্রিন পানই করি! সিরাম ও ময়েশ্চারাইজ়ার মিশিয়ে ব্যবহার করার আগে আমি ভালো করে ক্লিনজ়িং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজ়িং, সিরাম এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করি।’
হবু মায়েদের ক্ষেত্রে সানস্ক্রিন মাখায় কোনও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি?
কোন সানস্ক্রিন নিরাপদ? হবু মায়েদের ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন অর্থাৎ বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ। এই সানস্ক্রিনগুলিতে সাধারণত মাইক্রোনাইজ়িং অক্সাইড বা আয়রন অক্সাইড থাকে, যা ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে কেমিক্যাল সানস্ক্রিন পুরোপুরি এড়িয়ে চলাই ভালো।
কোন উপাদানগুলো এড়িয়ে চলবেন? অ্যান্টি-এজিং বা অ্যান্টি-অ্যাকনে ক্রিমে এমন কিছু উপাদান থাকে, যেগুলি গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত নয়। যেমন—রেটিনয়েড, ভিটামিন এ-ভিত্তিক উপাদান, হাইড্রোকার্বন, আর্বুটিন এবং ভারী খনিজ-যুক্ত মেকআপ এড়িয়ে চলার কঠোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যে কোনও নতুন প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তাই ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।
সানস্ক্রিন ব্যবহারের নিয়ম
মুখ ছাড়াও গলা, ঘাড়, হাতের পাতা এবং কানের পিছনের অংশে সানস্ক্রিন মাখতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে।
মেঘলা দিনে বা ঘরের ভিতরে থাকলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বাদ দেওয়া যাবে না। কারণ জানলার কাচ ভেদ করেও ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ঘরের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে।
সানস্ক্রিন কখনই ১০০ শতাংশ UV-রশ্মি রোধ করতে পারে না। তাই প্রতি ২-৩ ঘণ্টা অন্তর তা পুনরায় লাগানো এবং রোদে বেরোনোর সময় টুপি বা রোদচশমা ব্যবহার করা ভীষণ জরুরি।