চোরবাগানে মৃত্যু বৈদ্যবাটীর শ্রীপর্ণারনিজস্ব ছবি
Published on
:
1 min read
চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো এবার শুরু থেকে নজর কেড়েছিল সবার। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুজোর ফিডে চোখ রাখলে বারবার উঠে আসছিল আলো-আঁধারি মণ্ডপের ভেতর অন্য ধাঁচের প্রতিমা। সেই নজরকাড়া প্রতিমা চাক্ষুস করতেই শনিবার প্রথম সপ্তমীর সকালে বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন শ্রীপর্ণা। কিন্তু বাড়ি ফেরা হলো না।
শনিবার সন্ধেয় আচমকা বৃষ্টির কারণে চোরবাগানের পুজোয় দর্শনার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি সৃষ্টি হয়। যার ফলে মণ্ডপের ভেতরে পদপিষ্টের ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৭। তবে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি।
২৬ বছরের শ্রীপর্ণা পোদ্দার বৈদ্যবাটীর বাসিন্দা। সকাল সাড়ে সাতটায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে, কলকাতার অন্য কয়েকটি পুজো মণ্ডপ ঘুরে, সন্ধেয় এসে পৌঁছন চোরবাগান। মাঝে বাড়ির লোকের সঙ্গে ফোনে কথাও হয়েছিল। কী কী ঠাকুর দেখেছেন, আর কোথায় কোথায় যাবেন, সবই জানিয়েছিলেন বাড়ির লোককে। পরিবারের কেউ তখন দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে যাবে।
সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ ফোন আসে শ্রীপর্ণার বাবার কাছে। যে মেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করে ঠাকুর দেখছেন বলে জানতেন তাঁর বাবা, তিনি শুনলেন, ‘আপনার মেয়ে আর নেই। চাপা পড়ে মারা গিয়েছে। তাড়াতাড়ি হাসপাতালে আসুন।’ মুহূর্তে যেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল শ্রীপর্ণার বাড়ির লোকজনের। প্রথমে এই মৃত্যুসংবাদ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না কেউ।
ফোনে দুঃসংবাদ পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান শ্রীপর্ণার মামা বিশ্বনাথ দে। এখনও তাঁর সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরোনো অন্য বন্ধুদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
