ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মসহ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম। আজ শুক্রবার ডেঙ্গু মোকাবিলা বিএনপির ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুন্সীগঞ্জে লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), যুবদল, ছাত্রদলসহ দলের অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লিফলেট বিতরণকালে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতে রোগ প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট তৈরি করা হয়েছে, যা দেশব্যাপী নিয়মিত বিতরণ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘অতীতে ডেঙ্গুর মৌসুমে স্যালাইনের সংকট দেখা দিলেও এবার পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রয়েছে। এ ছাড়া সরকারিভাবে ডেঙ্গুর পরীক্ষা বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগও চলমান রয়েছে।’
অধ্যাপক রফিকূল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মসহ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশব্যাপী এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
