ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অদ্ভুত ভাবে রান আউট হলেন তিলক বর্মা। তিনি হেঁটে হেঁটে ক্রিজে ফিরতে গিয়েছিলেন। তখন উইকেটকিপারের থেকে বল পেয়ে বোলার উইকেট ভেঙে দেন। তাতেই রান আউট হন তিলক। ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।
ভারতের ইনিংসের ১৭তম ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের গুডাকেশ মোটি বল করছিলেন। লেগ সাইডে ফুল টস বল করেছিলেন মোটি। অক্ষর জোরে সেই বল ফ্লিক করেন। তাঁরা একটি খুচরো রান নিলেও পর ক্ষণেই মাঝ পিচে ফিরে এসে কথা বলতে থাকেন। দু’রান নেওয়ার চেষ্টা করেননি। ভেবেছিলেন বলটি চার হয়ে গিয়েছে। একে অপরের সঙ্গে হাতও মেলান। পরে অক্ষর নিজের ক্রিজের দিকে হাঁটতে শুরু করে দেন।
কিন্তু বল চার হয়নি। বাউন্ডারির কাছে ঝাঁপিয়ে বলটি থামান কামিল পুরান। বল বাউন্ডারির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় উঠে দাঁড়িয়ে বলটি আবার ধরে ফেলেন পুরান। সেই বল ছুড়ে উইকেটকিপার শে হোপের কাছে। ঘটনাটি কী হচ্ছে দেখতে পেয়ে দ্রুত ক্রিজে ব্যাট ঠেকানোয় রান আউট হননি অক্ষর। তিলক তখন পিছন ফিরে হাঁটছিলেন। তিনি কিছুই দেখতে পাননি। হোপ সেই বল ফেরত পাঠান বোলিং প্রান্তে থাকা মোটির কাছে। তিলক তখনও নিজের ক্রিজের থেকে অন্তত ফুট চারেক দূরে ছিলেন। তিনি হেঁটে হেঁটে ক্রিজে ফিরছিলেন। এমন সময় মোটি বল ধরে উইকেট ভেঙে দিয়ে আউটের আবেদন করেন।
মাঠের আম্পায়ার বিষয়টি বুঝতে না পেরে তৃতীয় আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন। তৃতীয় আম্পায়ার প্রথমে দেখেন যে বাউন্ডারিতে ঠিক করে পুরান বল আটকেছিলেন কি না। তা নিয়ে নিশ্চিত হতেই রান আউটের ঘটনাটি দেখেন। রিপ্লে দেখে তিলককে রান আউট দেন। ক্রিজে জমে গিয়েও এ ভাবে আউট হওয়ায় হতাশায় মাথা নাড়তে নাড়তে বেরিয়ে আসেন তিলক। ডাগআউটে থাকা কোচ গৌতম গম্ভীরও একেবারেই খুশি হতে পারেননি।
২০১১-য় ট্রেন্টব্রিজে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। ইংল্যান্ডের ইয়ান বেল এমন ভাবেই রান আউট হয়েছিলেন। ভেবেছিলেন অইন মর্গ্যানের শট চার হয়ে গিয়েছে। ক্রিজ ছেড়ে মর্গ্যানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। বল বাউন্ডারির দড়ি ছোঁয়ার আগেই ভারতের এক ফিল্ডার বল ছোড়েন। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি রান আউট করে দেন। পরে অবশ্য তিনি রান আউটের দাবি প্রত্যাহার করে দেন। বেলও খেলা চালিয়ে যান।
