বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ আপডেট অনুযায়ী জ্বালানি ভর্তুকি, সার ভর্তুকি ও সামাজিক সুরক্ষা মিলিয়ে বাংলাদেশ বছরে খরচ করে জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, অর্থাৎ ১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এই অর্থের বড় অংশ সঠিক ঠিকানায় পৌঁছায় না। ২০২২ সালের উপাত্তে প্রত্যক্ষ কর ও নগদ সহায়তা মিলিয়ে বৈষম্য কমে (গিনি ৫২ দশমিক ৪ থেকে ৫০ দশমিক ৭) এবং দারিদ্র্যের হার ১৯ দশমিক ৬ থেকে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশে নামে। কিন্তু পরোক্ষ কর সেই অর্জন মুছে দেয়। গিনি সহগ আবার ৫১ দশমিক ৪ আর দারিদ্র্য ২০ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ রাষ্ট্র গরিবকে এক হাতে দিয়ে অন্য হাতে কেড়ে নেয়; স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সেবার মূল্য ধরলে তবেই গরিব নিট সুবিধাভোগী হন।
ঝুঁকিও বড়। দারিদ্র্যরেখার ঠিক ওপরে আছেন প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ, সামান্য ধাক্কায় যাঁরা দরিদ্র হয়ে পড়বেন। সবচেয়ে গরিব পরিবারগুলোর অর্ধেক কোনো সুরক্ষা জালের আওতায় নেই। অথচ কর-জিডিপি অনুপাত এক দশকের বেশি সময় ধরে ৭ থেকে ৮ শতাংশে আটকে, যেখানে উন্নয়ন প্রয়োজনের মানদণ্ডে ধরা হয় ১৫ শতাংশ। ভর্তুকি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জিডিপির ০ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ২০২৪-২৫-এ ২ দশমিক ২ শতাংশে উঠেছে, আর সুদ গিলেছে মোট ব্যয়ের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। রাষ্ট্রের হাতে টাকা কম, তাই যা আছে তা ঠিকমতো খরচ করার তাগিদ আরও জোরালো।
৯০টি কর্মসূচি, ২৫টি মন্ত্রণালয়, ছড়ানো দায়
বাংলাদেশে আজ ২৫টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯০টি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চলছে। প্রতিটির আলাদা যোগ্যতার শর্ত, আলাদা উপকারভোগীর তালিকা, আলাদা বিতরণব্যবস্থা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বরাদ্দ ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা, জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ। এর প্রায় ৪৩ শতাংশ যায় সরকারি কর্মচারীর পেনশন ও কৃষি ভর্তুকিতে। গরিবের জন্য বলে চিহ্নিত ৪৮টি কর্মসূচি পায় মাত্র ৩৯ শতাংশ, এবং তার প্রায় অর্ধেক আবার চারটি কর্মসূচিতে: ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা।
ফল কী? সবচেয়ে গরিব পরিবারের প্রায় অর্ধেক কিছুই পায় না, অথচ সবচেয়ে ধনী পঞ্চমাংশের ৩১ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো সহায়তা পান। নিম্ন ৪০ শতাংশের কাছে যাওয়া সুবিধার ভাগ ২০১৬ সালের ৫১ থেকে ২০২২ সালে প্রায় ৪৪ শতাংশে নেমেছে। গরিবের জন্য নির্ধারিত কর্মসূচিগুলো সবচেয়ে গরিব পঞ্চমাংশের ৬৩ শতাংশ পরিবারকে বাদ দেয় এবং সবচেয়ে ধনী পঞ্চমাংশের ১৮ শতাংশকে ভেতরে রাখে। ধনী পঞ্চমাংশের গড় বার্ষিক সুবিধা ১০ হাজার ৪৭২ টাকা, দরিদ্রতম পঞ্চমাংশের ৭ হাজার ১৪০ টাকা। লক্ষ্যভিত্তিক নগদ কর্মসূচিতেও প্রতি পাঁচজন উপকারভোগীর মধ্যে মাত্র দুজন নিম্ন ৪০ শতাংশে পড়েন। পুরো ব্যবস্থা দারিদ্র্য কমায় ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ পয়েন্ট, নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর গড় প্রায় ৪ পয়েন্ট, আর ডিজিটাল রেজিস্ট্রি ও সমন্বিত বিতরণ থাকা পাকিস্তান কমায় প্রায় ৪ দশমিক ৫ পয়েন্ট। অর্থাৎ আমরা বেশি খরচ করছি না, ভুলভাবে খরচ করছি।
এই বিক্ষিপ্ততার কারণ আপডেট বিশ্লেষণ করেনি, কিন্তু অনুমান করা কঠিন নয়: প্রতিটি কর্মসূচির পেছনে একটি মন্ত্রণালয়, একটি বাজেট, একটি উপকারভোগী গোষ্ঠী। কর্মসূচি একীভূত করা কঠিন, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা সহজ। এই অনুমান আমাদের, সরকারের কাছে তার জবাব চাওয়া উচিত।
বিদ্যুৎ: লাইফলাইনের ফাঁদ
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ভর্তুকি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের ৮ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা (জিডিপির ০ দশমিক ৫ শতাংশ) থেকে ২০২৪-২৫-এ ৮৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় (১ দশমিক ৫ শতাংশ) উঠেছে, যার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ বিদ্যুতে। গড় খুচরা দাম প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টায় ১০ দশমিক ৬৩ টাকা, ব্যয় পুনরুদ্ধারের দাম ১৫ দশমিক ১৬ টাকা। ব্যবধান ৪ দশমিক ৫৩ টাকা, জিডিপির প্রায় ১ দশমিক ১ শতাংশ। বিদ্যুৎ ভর্তুকির ৩৩ শতাংশ পান সবচেয়ে ধনী পঞ্চমাংশ, দরিদ্রতম পঞ্চমাংশ পায় ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে আয়ের তুলনায় এই সুবিধা গরিবের কাছে বহুগুণ গুরুত্বপূর্ণ: দরিদ্রতম পঞ্চমাংশের আয়ের ১৮ দশমিক ১ শতাংশ, ধনীতমের মাত্র ২ দশমিক ৩ শতাংশ। তাই পুরো ভর্তুকি তুলে নিলে দারিদ্র্য ২ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট বাড়বে, প্রায় ৪৭ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হবেন (আচরণ পরিবর্তন ও ক্ষতিপূরণ হিসাবে না ধরে)।
সমস্যাটি তাই ভর্তুকি আছে কি নেই, তা নয়; নকশার। লাইফলাইন সুবিধা মাসে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত, কিন্তু দরিদ্র পরিবারের মাত্র ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ ওই সীমার মধ্যে থাকে। দরিদ্র পরিবার গড়ে ব্যবহার করে ৬০ দশমিক ৮ ইউনিট, অদরিদ্র ১১০ দশমিক ৭। দরিদ্রদের ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ ব্যবহার করে ৭৫ ইউনিটের নিচে। ৫০ ইউনিট পার হলে সব ইউনিটে সুবিধা হারানোর এই খাড়া ধাপ রহিমার মতো পরিবারকে শাস্তি দেয়। আপডেট দৃষ্টান্ত হিসেবে বলছে, লাইফলাইন ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বাড়ানো, শুধু অতিরিক্ত ইউনিটে উচ্চ হার আরোপ এবং ১৫০ ইউনিটের ওপরে কোনো ভর্তুকি না দেওয়া হলে দারিদ্র্য প্রায় অপরিবর্তিত থাকে আর ভর্তুকি ব্যয় জিডিপির প্রায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে। হারগুলো সুপারিশ নয়, উদাহরণ। নীতিনির্ধারকদের কাছে বার্তা পরিষ্কার: সামান্য নকশা বদল গরিবকে বাঁচিয়ে রাষ্ট্রের টাকাও বাঁচাতে পারে।
পুরো ভর্তুকি তুললে জিডিপির ১ দশমিক ৯ শতাংশ সাশ্রয় হতো। নিম্ন ৪০ শতাংশের কাছে যায় এক-তৃতীয়াংশেরও কম, তাই তাঁদের পুরো ক্ষতিপূরণ দিলেও নিট সাশ্রয় থাকে প্রায় ০ দশমিক ৬ শতাংশ। আটকে আছে কেবল পৌঁছানোর সক্ষমতা, কারণ বিদ্যমান কর্মসূচি দরিদ্রতম দুই পঞ্চমাংশের অর্ধেকের বেশি কাছে পৌঁছায় না। আরেকটি অব্যবহৃত সম্পদ জ্বালানি দক্ষতা: আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় সময়ের সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব।
সার: বড় চাষির ভর্তুকি
সার ভর্তুকি ছোট কৃষককে মূল্যধাক্কা থেকে বাঁচিয়েছে, খাদ্যনিরাপত্তায় অবদান রেখেছে। কিন্তু নকশা বড় খামারের পক্ষে: যত বেশি সার কেনা, তত বেশি সুবিধা। সবচেয়ে বড় ২০ শতাংশ জমির মালিক পান ভর্তুকির ৫০ শতাংশ, ক্ষুদ্রতম ৪০ শতাংশ পান ১৩ শতাংশ। সার ভর্তুকির ব্যয় ২০১৯-২০ অর্থবছরের ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা (০ দশমিক ২ শতাংশ) থেকে প্রায় চারগুণ হয়ে ২০২৪-২৫-এ ২৮ হাজার কোটি টাকায় (০ দশমিক ৫ শতাংশ) উঠেছে। ৮৫ শতাংশের বেশি সার আমদানি করা, ফলে বিশ্ববাজার ও বিনিময় হারের ঝুঁকি সরাসরি বাজেটে পড়ে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো কৃষির ভেতরের ভারসাম্য। ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ চলে যাচ্ছে ভর্তুকিতে। খাদ্য ও কৃষি ব্যয়ে ভর্তুকি ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ, জ্ঞান বিস্তারে ৮ দশমিক ৫ এবং গবেষণায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ। প্রতি ১ টাকা গবেষণায় ১০ টাকা ভর্তুকিতে। কৃষকদের মাত্র ৫ শতাংশ সঠিক অনুপাতে সার প্রয়োগ করেন। যে খাত গত দুই দশকে দারিদ্র্য কমানোর বড় চালক ছিল, ২০১৬ থেকে ২০২২ সালে প্রায় ৪৬ শতাংশ, তার ভবিষ্যৎ গবেষণা আর সম্প্রসারণ ছাড়া বিনিয়োগ হারাচ্ছে।
ফ্যামিলি কার্ড ও রেজিস্ট্রি: সম্ভাবনার সবচেয়ে বড় জায়গা
সরকারের উদ্যোগ আছে, এবং আপডেট সেগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে। অর্থ বিভাগে জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যুক্ত সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি ৩ কোটি ৫০ লাখের বেশি উপকারভোগীকে সরাসরি অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা দিচ্ছে। ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি তৈরি হচ্ছে, বাস্তবায়ন প্রত্যাশিত ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে। ১০ মার্চ ২০২৬ থেকে পাইলট হিসেবে শুরু হওয়া ফ্যামিলি কার্ড পরিবারের নারীকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা দেয়, প্রথম ধাপে লক্ষ্য ৪১ লাখ পরিবার।
আপডেটের সিমুলেশন দেখায় সুযোগের আকার। শুধু ফ্যামিলি কার্ড, বর্তমান লক্ষ্যনির্ধারণ মানে, দারিদ্র্য আরও ০ দশমিক ৯৫ শতাংশ পয়েন্ট কমায়, অর্থাৎ প্রায় ১৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে, জিডিপির ০ দশমিক ২৩ শতাংশ ব্যয়ে। অন্তর্ভুক্তি ত্রুটি ২৫ শতাংশ কমালে লাভ বেড়ে ১ দশমিক ২৫ পয়েন্টে ওঠে, বাড়তি খরচ ছাড়াই। সবচেয়ে ভালো ফল আসে ফ্যামিলি কার্ড, উন্নত লক্ষ্যনির্ধারণ ও একটিমাত্র সমন্বিত খাদ্য কর্মসূচি একসঙ্গে চালালে: দারিদ্র্য ১ দশমিক ৭২ পয়েন্ট বেশি কমে, ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যের বাইরে থাকেন, ব্যয় জিডিপির ০ দশমিক ২১ শতাংশ। দরিদ্রতম পঞ্চমাংশের ভোগের সহায়তা ৭ দশমিক ১৪ থেকে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশে ওঠে। এগুলো পূর্বাভাস নয়, দৃষ্টান্তমূলক হিসাব। তবু বার্তা পরিষ্কার: কে পাচ্ছে, সেটা কতগুলো কর্মসূচি আছে তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। ফ্যামিলি কার্ডের যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যবহৃত প্রক্সি মিন্স টেস্ট ভুল করতে পারে, পাইলট থেকে জাতীয় পর্যায়ে যেতে সেই ভুল বাড়ার ঝুঁকি আছে। সামাজিক নজরদারি দুর্বল হলে তালিকা স্থানীয় প্রভাবশালীদের হাতে চলে যেতে পারে। যে পরিবার সীমা অতিক্রম করবে তাকে সরিয়ে নতুন পরিবার আনার প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিকভাবে কঠিন। আপডেট নিজেও সতর্ক করেছে, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, বিধবা ও মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা কাটা চলবে না, আর সংকটে দ্রুত বাড়ানো যায় এমন খাদ্য কর্মসূচি ধরে রাখতে হবে।
যে পথে এগোনো উচিত
প্রথমত, ক্রম ঠিক করুন: আগে ক্ষতিপূরণ, পরে দাম। ভর্তুকি সংস্কার দ্রুত হলে রাষ্ট্র আগে সাশ্রয় করে, কিন্তু ক্ষতিপূরণ যত পিছিয়ে যায়, গরিবের কল্যাণক্ষতি তত বাড়ে। ফ্যামিলি কার্ড ও রেজিস্ট্রি চালু হওয়ার সঙ্গে সমান্তরালে ভর্তুকির ধাপে ধাপে পুনর্বিন্যাস করতে হবে। সরকারকে পরিমাণ, সময় ও মেয়াদ আগে জানাতে হবে, যাতে আচমকা দামবৃদ্ধি না ঘটে।
দ্বিতীয়ত, সমান্তরাল নিবন্ধন নয়। ২০২৬ সালে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সংগৃহীত দারিদ্র্য উপাত্তকেই রেজিস্ট্রির ভিত্তি করতে হবে। ফ্যামিলি কার্ড, রেজিস্ট্রি, কৃষক কার্ড ও অন্যান্য ডাটাবেস সংযুক্ত করে দেখা যাবে কে কোন সুবিধা পাচ্ছেন, ফলে দ্বৈততা কমবে ও ফাঁক ধরা পড়বে। অভিযোগ ও আপিলের ব্যবস্থা, বাদ পড়া মানুষের আবেদনের সুযোগ আর নিয়মিত তথ্য যাচাই কার্যকর না হলে প্রযুক্তি শুধু পুরোনো পক্ষপাত ডিজিটালে রূপান্তর করবে।
তৃতীয়ত, বিদ্যুতে লাইফলাইন ব্লক নতুন করে নকশা করুন: ৫০ ইউনিটের খাড়া সীমা সরিয়ে ধাপে ধাপে হার বসান। জ্বালানি দক্ষতাকে ভর্তুকির বিকল্প বিনিয়োগ হিসেবে গুরুত্ব দিন।
চতুর্থত, সারে ছোট ঘোষিত দাম-ধাপ ও ইলেকট্রনিক ভাউচার। কয়েক ফসল মৌসুম ধরে ছোট ছোট ও আগাম ঘোষিত দামবৃদ্ধি, কৃষক কার্ড ও ডিজিটাল কৃষক নিবন্ধন, যাতে প্রকৃত চাষি, বর্গাচাষিসহ, চিহ্নিত হন। সাশ্রয়ের অর্থ যাবে গবেষণা, সম্প্রসারণ, মাটি পরীক্ষা ও সেচে।
পঞ্চমত, জবাবদিহি। প্রতি বছর বাজেটের সঙ্গে ভর্তুকি ও সামাজিক সুরক্ষার কে কত পেল, তার স্বাধীন পর্যালোচনা প্রকাশ করতে হবে।
লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক
