দশমীতে বিশ্বেশ্বরতলা মাঠে দুই বোনের মিলন হয়, তার পরে বিসর্জন। মা-কে নিয়ে যাওয়া হয় কাঁধে তুলে। বাড়ির প্রবীণ সদস্য সুনীল চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'এখন পুজোর দায়িত্ব কেশব, স্বর্ণেন্দু, ভোদু, শৈবালদের মতো নতুন প্রজন্মের ছেলেরা নিয়েছে। নবপত্রিকা স্নান করায় শৈবাল ও বলিদান পর্বে থাকে শৌরীশ। বলির পরে মায়ের বিশেষ ভোগ হিসেবে থাকে থোড় ও মোচা, আর থাকে আনন্দ নাড়ু, ঘিয়ে ভাজা লুচি, ছোলার ডাল, কুমড়োর তরকারি, সঙ্গে ভাত, বিউলির ডাল, শুক্ত, মরশুমি সবজি। মায়ের ভোগ রান্না করেন বাড়ির মহিলারাই, অবশ্যই তাঁরা দীক্ষিত। প্রতীকী হিসেবে আদা গাছ, বাতাবি লেবু, কলা, ছাঁচি কুমড়ো, এবং আখ গাছ ও কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ এবং মাৎসর্যকে বলি দেওয়া হয়!