টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা গেল সালমান খানকে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে ছিল আগের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা। সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতিও নজরে এসেছে।
গত ১৮ অক্টোবর অভিনেতা টাইগার শ্রফকে হত্যার চেষ্টা চালানোর ঘটনার পর বলিউডে উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। টাইগারের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করার পর মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জানিয়েছিলেন, তারকাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে। সালমানের নিরাপত্তা জোরদারের মধ্য দিয়ে সেই উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে মুম্বাইয়ের বেসরকারি বিমানবন্দরে সালমানকে দেখা যায়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিশেষ সুরক্ষা ইউনিটের সদস্যরা, যাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। তার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বাড়তি সতর্কতা চোখে পড়ে।
গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাছ থেকে সালমান বারবার হুমকি পেয়েছেন। এ কারণে তার নিরাপত্তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জোরদার করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
টাইগারকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া একটি অযাচাইকৃত ভয়েস মেসেজেও সালমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বার্তায় বলা হয়, “আজ টাইগার শ্রফের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার দায় নিচ্ছে অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু। আমরা আগেই ফোন করে তাকে সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু সে বিষয়টি বুঝতে পারেনি। তাই আজ তাকে ঠিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্রজগতের যে কেউ আমাদের কথা না শুনবে বা সালমান খানের সঙ্গে কাজ করবে, তার পরিণতিও একই হবে। অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়।”
তবে ভয়েস মেসেজটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
এর আগে, ২০২৪ সালের এপ্রিলে মুম্বাইয়ে সালমানের বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার দায়ও নিয়েছিল বিষ্ণোই গ্যাং।
একই বছরের অক্টোবরে গুলি করে হত্যা করা হয় রাজনীতিক ও সালমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাবা সিদ্দিকিকে। পরে মুম্বাই পুলিশের অভিযোগপত্রে বলা হয়, সালমানের সঙ্গে বাবা সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তার হত্যার কারণ হয়ে থাকতে পারে।
* হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে
