সুবর্ণচরে শিমক্ষেত থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শিমক্ষেতের পানিতে ভাসমান অবস্থায় মো. সাহেদ (১৬) নামে এক কিশোরের মরদেহ পাওয়া গেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ৮ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি শিমক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পান জমির মালিক মনির মেস্তুরী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্থানীয় এক গ্রাম্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাহেদ ওই ইউনিয়নের চর নোমান এলাকার বাসিন্দা খলিলের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে নাশতা শেষে জুয়েল সওদাগর ও মনির মেস্তুরীর জমিতে শিমক্ষেতে কাজ করতে যায় সে।
সাহেদের মামা জাকের হোসেন জানান, তার ভাগনের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তবে মুখে লালা দেখা গেছে। সকালে নাশতা করে সে কাজে গিয়েছিল।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, কারও সঙ্গে তাঁদের বিরোধ বা ঝগড়া নেই। সাহেদের শরীরেও তাঁরা আঘাতের চিহ্ন দেখেননি। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাঁরা নিশ্চিত নন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নুর আলম জানান, কিশোরের মৃত্যুর খবর তিনি পেয়েছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
ছনখোলা পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে মরদেহের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, সাহেদ স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে। স্থানীয় কেউ কেউ অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন। তবে এসব ধারণার পক্ষে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জুয়েল সওদাগরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে তাঁরা ঘটনাটি জেনেছেন এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করা হবে।

